গল্প : হান্ড্রেড পারসেন্ট : সিদ্ধার্থ সিংহ

নতুন বউকে নিয়ে ঘরে ঢুকতেই রণিত দেখল, তার বউ গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে উপরের দিকে তাকাল। ওপর মানে টিনের চাল। সেই চালটাকে ধরে রেখেছে লম্বালম্বি এবং আড়াআড়ি ভাবে পাতা বেশ কয়েকটি বাঁশ। তারই একটি বাঁশে লাগানো হুক থেকে ঝুলছে খয়েরি রঙের একটা সিলিং ফ্যান।
ফ্যানটা বন্ধ। তাই বউ বলল, ফ্যানটা চালাও, ফ্যানটা চালাও…
রণিতও তখন দরদর করে ঘামছে। গরদের পাঞ্জাবি আর নতুন পাজামা পরে আছে বলেই হয়তো এত গরম লাগছে। তারই যদি এত গরম লাগে তা হলে তার বউ তো বেনারসি পরে আছে। চড়া সাজগোজ। তার তো আরও গরম লাগার কথা। তার ওপরে চৈত্র মাসের টিকতে না পারা এই গরম। গরমটা যেন আজ আরও বেশিই পড়েছে। শুধু দরদর করে ঘাম নয়, পার্লার থেকে আনা মেকআপ ম্যান দিয়ে চার ঘণ্টা ধরে সাজানো রংচং গাল বেয়ে, গলা বেয়ে, হাত বেয়ে গলগল করে পড়ছে মেক আপ। আর থাকতে পারছে না তার বউ। তাই বুঝি সে বলল, ফ্যান চালাও, ফ্যান চালাও, ফ্যান চালাও…
বর সুইচ টিপে দেখল পাখা চলছে না। ট্রেনে যখন পাখা চলে না, তখন রণিত দেখেছে অনেকেই চিরুনি বের করে সেফগার্ড ঝাঁঝরির ফাঁক দিয়ে গলিয়ে পাখার ব্লেডটাকে একটু ঘুরিয়ে দিলেই পাখাটা আবার চলতে শুরু করে। তাই রণিত এদিক ওদিক তাকিয়ে ঘরের কোণে থাকা লম্বা ঝুলঝাড়ুটা নিয়ে এসে উলটো দিকটা দিয়ে সিলিং ফ্যানটার ব্লেডগুলো ঘোরানোর চেষ্টা করল। লাঠির ধাক্কায় ব্লেডটা বার কতক পাক খেল ঠিকই, কিন্তু চলল না। বউয়ের দিকে তাকিয়ে রণিত বলল, পাখাটা বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে।
বউ বলল, এ বাবা, সে কি গো… তাহলে এই গরমে থাকব কী করে! তুমি আগে এটা দেখোনি?
রণিত বলল, আজও তো যাওয়ার সময় ঠিক ছিল!
তাহলে শোব কী করে!
এখন তো কাউকে পাব না। আজকের রাতটা কোনও রকমে কাটিয়ে দাও। কাল সকালেই বাপিকে ডেকে পাঠাব।
বাপিটা কে?
ও ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। আমাদের বাড়ির ইলেকট্রিকের সব কাজ ও-ই করে।
কিন্তু এই গরমে… হাতপাখা আছে?
বর বলল, এখানে তো সে রকম লোডশেডিং হয় না। তাই হাতপাখার দরকারও হয় না। অনেক দিন আগে রথের মেলা থেকে শখ করে একটা এনেছিলাম। সে নষ্ট হয়ে গেছে।
তাহলে থাকব কী করে?
চিন্তা নেই। আমি জানলাগুলো খুলে দিচ্ছি। ওখান থেকে যথেষ্ট হওয়া আসে।
বউ রণিতের মুখের দিকে তাকাল। ফুলশয্যার রাতে জানলা খুলে শোব!
রণিতের সঙ্গে চন্দ্রাণীর আলাপ হয়েছে মাত্র তিন মাস আগে। একটা বিয়েবাড়িতে। প্রথম দিনই কেউ কারও থেকে চোখ সরাতে পারছিল না। এক ব্যাচেই খেতে বসেছিল ওরা। কিন্তু কেউই বিয়েবাড়ির খাওয়া বলতে যে খাওয়া, সেটা খেতে পারেনি। দুজন যেন দুজনের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিল। কিরে, সবই তো পড়ে রইল। খেলি না ? মা বলতেই চন্দ্রাণী বলেছিল, না গো আর খাব না।
মা বলেছিলেন, বাড়ি গিয়ে আবার বলিস না খিদে পেয়েছে। ঘরে কিন্তু কিছু নেই।
চন্দ্রাণী বলেছিল, না না, আমার পেট ভরা। তখন এত পকোড়া আর ফিস ফিঙ্গার খেয়েছি যে, পেট ভরে গেছে। বলতে বলতে সিট ছেড়ে উঠে গিয়েছিল। ও না উঠলে বোধহয় রণিতও উঠত না। রণিত যখন উঠল, দেখল, আশপাশের টেবিল শুধু সাফসুতরোই নয়, পরের ব্যাচ বসার জন্য কাগজ, প্লেট, প্লেটে লবণ, লেবু এমনকী প্লেটের পাশে জলের গ্লাসও দেওয়া হয়ে গেছে।
টেবিলে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকলেও আরও অনেকের মতো ওরাও আরও একবার ভাল করে হাত ধোওয়ার জন্য বেসিনের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেখানে তখন বেশ ভিড়। ওরা একদম পিছনে। তখনই চন্দ্রাণীর ফোন নম্বর চেয়ে নিয়েছিল রণিত। নম্বর নিয়েই একটা মিস কল করে বলেছিল, এটা আমার নম্বর।
সেই নম্বর যে চন্দ্রাণী সেভ করে রাখবে একবারও ভাবতে পারেনি ও। তাই পরদিন সকাল নটা নাগাদ যখন চন্দ্রাণীর নম্বর থেকে ফোন এল ও একটু অবাকই হলো। শুধু অবাকই নয়, খুশিও।
চন্দ্রাণী বলল, কাল ফিরতে কোনও অসুবিধে হয়নি তো? আসলে কালই ফোন করতাম। কিন্তু এত রাত হয়ে গিয়েছিল যে…
সেই শুরু। তারপর থেকে সারাদিনে যে ওদের মধ্যে কতবার ফোনাফুনি হতো, কফি খাওয়ার নাম করে দেখা করত, এটা সেটা কেনাকাটির জন্য এ মল ও মলে ঘুরত, নন্দন চত্বরে পাশাপাশি বসে চিনেবাদাম খেত, তা ওরা নিজেরাও জানে না।
রণিত একদিন সন্ধেবেলায় ওকে অনেকবার ফোন করেও না পেয়ে, যখন পেল তখন উদ্বিগ্ন স্বরে বলেছিল, কোথায় ছিলে? এতবার ফোন করলাম শুনতে পাওনি?
চন্দ্রাণী বলেছিল, আমাকে দেখতে এসেছিল।
দেখতে এসেছিল মানে? ডাক্তার?
না, ব্যাংকে কাজ করেন।
মানে?
চন্দ্রাণী বলেছিল, আসলে বেশ কিছুদিন ধরেই আমার সম্বন্ধ দেখা চলছে। বাবা বর্তমান পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিল তো…
আমাকে তো আগে বলোনি!
কেন, তোমাকে বললে কি তুমি রাজপুত্রের মতো টগবগ করে ঘোড়ায় চড়ে এসে আমাকে বিয়ে করে নিয়ে যেতে?
ঘোড়ায় করে না হলেও গাড়ি করে তো আসতে পারতাম।
তাহলে এসো।
রণিত জিজ্ঞেস করেছিল, কাল যাবো?
চন্দ্রাণী বলেছিল, এসো। তবে আমি কিন্তু বাবা-মাকে কিছু বলতে পারব না। যা বলার তুমিই বলবে।
পরদিন বিকেল-বিকেল রণিত তাদের বাড়ি গিয়েছিল। চন্দ্রাণী ওকে যে জন্য বাড়িতে আসতে বলেছিল, সে হিসেবে নয়। চন্দ্রাণী বললেও পরে ও ভেবে দেখেছিল, কারও বাড়িতে আচমকা গিয়ে আপনার মেয়েকে আমি বিয়ে করতে চাই বলাটা ঠিক হবে না। তাই ও গিয়েছিল চন্দ্রাণীর বন্ধু হিসেবে। ওর বাবার সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলেছিল। মায়ের সঙ্গেও।
কিন্তু রণিত চলে যাওয়ার পর চন্দ্রাণীর বাবা-মা চন্দ্রাণীকে জিজ্ঞেস করেছিল, ছেলেটা কী করে?
চন্দ্রাণী বলেছিল, তোমাদের সঙ্গে তো এতক্ষণ কথা বলল। তোমরা জিজ্ঞেস করোনি?
বাবা বলেছিলেন, একেবারেই যে জিজ্ঞেস করিনি তা নয়। যতবারই জিজ্ঞেস করেছি তুমি কী করো, কোথায় থাকো, বাবা-মা আছেন কি না, ক ভাইবোন, আমার মেয়েকে তুমি চিনলে কী করে? ততবারই ও কিছু কিছু উত্তর দিয়েছে ঠিকই, আকার-ইঙ্গিতে বুঝিয়েও দিয়েছে যে, ও তোকে পছন্দ করে। যাওয়ার সময় এটাও জিজ্ঞেস করল, আমাকে আপনাদের কেমন লাগল? সবই ঠিক আছে, কিন্তু ও যে কী করে যতবার জিজ্ঞেস করেছি, ও কিন্তু সেটা বারবার এড়িয়ে গেছে। ওর এই এড়িয়ে যাওয়া দেখে আমার মনে হচ্ছে, ও তেমন কিছু করে না যেটা বলার মতো। ছেলেটা কথাবার্তায় ভাল, নো ডাউট। কিন্তু রোজগারপাতি না করলে তোকে খাওয়াবে কী?
চন্দ্রাণী বলেছিল, ও যা খাবে, আমিও তাই খাব।
মা বলেছিলেন ভেবেচিন্তে বল। বিয়ে নিয়ে কিন্তু ছিনিমিনি খেলিস না। একবার ভুল করে ফেললে কিন্তু সারা জীবন পস্তাতে হবে।
বাবা বলেছিলেন, ঠিক আছে, আমি তাহলে ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে গিয়ে কথা বলি…
চন্দ্রাণী বলেছিল, ও কি তোমাদের ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতে বলেছে?
বাবা বলেছিলেন, না।
তাহলে? ওর মতটাই তো আসল। ও যদি রাজি থাকে তাহলে আমার আর কারও মতের দরকার নেই।
তবু ওর বাবা বলেছিলেন, হুটহাট করে কোনও সিদ্ধান্ত নিস না। আগে ভালো করে ভাব। ও কী করে, ঘরদোর কেমন, দ্যাখ। ও তোকে খাওয়াতে পরাতে পারবে কি না আগে খোঁজখবর নে। তারপর না হয়…
ও বলেছিল, আমার খোঁজখবর নেওয়ার দরকার নেই। ওর প্রতি আমার ভরসা আছে।
সেই ভরসাতেই এই বিয়ে। কিন্তু সেই বিয়ে যে এমন হবে চন্দ্রাণী তা ভাবতেও পারেনি। ঘরে সামান্য একটা সিলিং ফ্যান… সেটাও খারাপ! ফুলশয্যার বিছানায় গোলাপের পাপড়ির বদলে খানকতক মরা গ্যাঁদাফুলের পাপড়ি ছেটানো! আসবাব বলতে বহু পুরোনো লড়ঝড়ে একটা কাঠের আলমারি! এ কাকে বিয়ে করেছি আমি!
রণিত জানলা খুলতে যাচ্ছিল। চন্দ্রাণী বলল, থাক। খুলতে হবে না। এমনিতেই এখানে প্রচুর মশা। দাঁড়াতে পারছি না। গা ফুলিয়ে দিচ্ছে। জানলা খুললে না জানি আরও কত মশা ঢুকবে। আমি গরম সহ্য করতে পারব কিন্তু মশার কামড় সহ্য করতে পারব না।
রণিত জিজ্ঞেস করল, তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে, না?
চন্দ্রাণী বলল, খুব নয়, একটু। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই মানিয়ে নিতে পারব। মেয়েরা সব পারে।
তাই?
আজ্ঞে হ্যাঁ, মেয়েদের জান কই মাছের প্রাণ।
জানলা না খুললে এই গরমে থাকতে পারবে?
চন্দ্রাণী বলল, পারব।
ঠিক তখনই ফোন বেজে উঠল চন্দ্রাণীর। মা বললেন, আমরা এই পৌঁছলাম রে… ও দিকে সব ঠিকঠাক আছে তো? মানে, আমরা তো ওর ঘরদোর কিছুই দেখলাম না! বিয়েবাড়ি থেকে সোজা বাড়ি চলে এলাম। তবে হ্যাঁ, যেখানে তোদের বিয়ে হলো বাড়িটা কিন্তু বেশ বড়। অনেক খরচ করেছে মনে হলো। লোকজনও তো প্রচুর হয়েছিল। ওদের টাকা-পয়সা মনে হয় ভালই আছে। ওর বাবা-মাকে দেখলাম তো… চেহারাই বলে দেয় ওরা বনেদি বংশের লোক…
চন্দ্রাণী মনে মনে বলল, বনেদি বংশের! টাকা-পয়সা আছে! প্রচুর খরচ করেছে! লোক দেখানোর জন্য কত জনের কাছ থেকে যে টাকা ধার করেছে কে জানে! বিয়ের জন্য ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা থাকলে হয়তো ব্যাংক থেকেও টাকা নিত। তবে হ্যাঁ, মা-বাবার চেহারায় কিন্তু জৌলুস আছে। মনে হয়, এটা ওর আসল বাবা-মা না। ভাড়া করা। সত্যিই যদি ওর কাছে টাকা-পয়সা থাকত তাহলে কি বিয়ের পরে এরকম ঘরে তাকে তুলত!
ও প্রান্ত থেকে মা বললেন, কী রে, কিছু বলছিস না যে…
চন্দ্রাণী বলল, কী বলব? ওর সঙ্গে কথা বলবে?
ও দিক থেকে মা বললেন, দে।
ফোন ধরেই রণিত বলল, যেতে কোনও অসুবিধে হয়নি তো?
না না, আমরা তো খুব ভালোভাবেই এলাম। তোমরা ভালো থেকো বাবা। ও তো ও বাড়িতে নতুন, যদি কোনও ভুলত্রুটি করে…
রণিত বলল, আপনার কোনও চিন্তা নেই মা। আমি তো আছি।
চন্দ্রাণী মনে মনে বলল, কত যে আছো সে তো বুঝতেই পারছি! বাড়িতে একটা হাতপাখা পর্যন্ত নেই।
কথা শেষ করে রণিত বলল, আপনি কি আপনার মেয়ের সঙ্গে কথা বলবেন?
ও প্রান্ত থেকে বলল, না বাবা, আজ তোমাদের ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে। এখন বিশ্রাম করো।
ফোন রেখে রণিত বলল, আমাকে বিয়ে করে তুমি খুব ঠকে গেছো না?
কেন, এ কথা বলছো কেন?
না, তুমি তো জানতে না আমার এ রকম অবস্থা…
কী খারাপ? চারটে দেওয়াল আছে। মাথার উপর ছাউনি আছে। দরজা আছে। জানলা আছে। আর কী চাই? খানিক আগে যখন এ ঘরে প্রথম ঢুকেছিলাম একটু গরম লাগছিল, এই যা… এখন তো অতটা গরম লাগছে না। তার থেকেও বড় কথা, তুমি আমার সঙ্গে আছো। তুমি থাকলে আমার আর কিচ্ছু চাই না। সব ঠিক হয়ে যাবে দেখ… দাঁড়াও, তুমি একটু ও দিকে মুখ করে দাঁড়াও তো…
কেন?
শাড়িটা ছেড়ে নিই। বেনারসি তো… প্রচণ্ড গরম লাগছে।
রণিত বলল, শাড়ি ছাড়তে হবে না।
গরম লাগছে তো!
আর দশ মিনিট। তারপর আর গরম লাগবে না।
কেন, ফ্যান সারানোর লোক আসছে নাকি?
না।
তাহলে?
চলো, একটু বাইরে বেরোই। বলেই, দরজাটা হাট করে খুলে দিল রণিত। দরজা খুলতেই চন্দ্রাণী দেখল, বিয়েবাড়ির বেশ কিছু লোক সেখানে গিজগিজ করছে। ওদের দুজনকে দেখে তারা মুখ টিপে হাসাহাসি করতে লাগল।
চন্দ্রাণী কিছুই বুঝতে পারল না। রণিতের চোখের ইশারায় রণিতের পিছু পিছু ও বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়াল। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল ফুল দিয়ে খুব সুন্দর করে সাজানো একটা মস্ত বড় লাল গাড়ি। ওরা কাছে যেতেই ওই গাড়ির চালক পিছনের দরজা খুলে দিল। রণিত সেখানে গিয়ে বসল। ব্যাপারটা কী ঘটছে বুঝতে না পেরে ও-ও গিয়ে বসল রণিতের পাশে। ভেতরটা সে কি ঠান্ডা!
চালক বলল, রণিদা, এবার কি সত্যি সত্যিই বাড়ি যাব তো?
রণিত বলল, তা আর বলতে…
চালক বলল, বাবুজি বড়মা দুজনই কিন্তু আমাকে ফোন করেছিলেন। জিজ্ঞেস করছিলেন ওরা এখনও আসেনি!
ওদের কথার মধ্যেই চন্দ্রাণী জিজ্ঞেস করল, আমরা কোথায় যাচ্ছি?
রণিত বলল, বাড়িতে।
তাহলে এই বাড়িটা?
এটা তো তোমাকে পরীক্ষা করার জন্য আর্টিফিশিয়ালি বানানো হয়েছিল।
পরীক্ষা! মানে?
হ্যাঁ, পরীক্ষা।
চন্দ্রাণী অবাক। খানিক আগে ও-ঘরে ঢুকে সত্যিই ও খুব অবাক হয়েছিল। এবার আরও একবার অবাক হলো। তবু বলল, আমি কি পাস করেছি?
রণিত বলল, একেবারে হান্ড্রেড পারসেন্ট।
সচিত্রকরণ : ধ্রুব এষ



