লিটল ম্যাগ : ঘুংঘুর : সাহিত্যের জলপ্রবাহে বেজেই চলেছে : মনি হায়দার

হাজার নদীর দেশ বাংলাদেশ কত বিচিত্র সুন্দর নাম আমাদের নদীগুলোর―পায়রা, সন্ধ্যা, বাঙালি, মাতামুহুরী, ব্রহ্মপুত্র,আড়িয়াল খাঁ, করতোয়া, তিস্তা, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গা … কত নদীর নাম শুনেছি, দেখেছি, পড়েছি পাতায় ভূগোলের। কিন্ত কখনও দেখিনি, শুনিনি  তেমনি এক নদীর নাম ঘুংঘুর। সেই নদীর নামে সাত সাগর আর তের নদীর ওপার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের  টেনেসি থেকে হুমায়ূন কবিরের সম্পাদনায় প্রকাশিত হচ্ছে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনন্য পত্রিকা―ঘুংঘুর।

ঘুংঘুর প্রকাশিত হয়েছে ঊনবিংশ সংখ্যা হিসেবে একুশের বইমেলায় মার্চ ২০২১ সালে। ঘংঘুর পত্রিকার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে যুক্ত আছেন  কবি নির্মলেন্দু গুণ ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবের।  আরও যুক্ত আছেন ফকির ইলিয়াস, শাহাব আহমেদ, মিলন আশরাফ। নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন খালেদ চৌধুরী। আন্তর্জাল বা নেটদুনিয়া কত অসাধ্য সাধন করেছে, প্রমাণ ঘুংঘুর। কারণ, পত্রিকার কার্য সম্পাদন হয় মেইলে মেইলে, আর ছাপা হয় ঢাকার নীলক্ষেত থেকে।

প্রবন্ধ সাহিত্য দিয়েই পত্রিকার শুরু। সলিমুল্লাহ খান এই সময়ের স্বনিষ্ঠ একজন প্রজ্ঞাবান বাঙালি। তিনি ঘুংঘুর পত্রিকায় লিখেছেন অসামান্য প্রবন্ধ : ‘বাংলার রেনেসাঁসের পরিণতি : ইতিহাস ও স্মৃতিকথা’ শিরোনামে। রেনেসাঁসের পরিণতির দিক নির্দেশনা করতে গিয়ে প্রবন্ধকার সলিমুল্লাহ খান ১৯৪৭ সালের কলকাতার গ্রেট কিলিংয়ের পিছনের ও সামনের এবং সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের উন্মাতাল  রক্তমাখা বিরবণ দিয়েছেন, শেখ  মুজিবুর রহমান, তপন রায় চৌধুরী, কামরুদ্দিন আহমদ, আবুল মনসুর আহমদ প্রভৃতি মহাজনের স্মৃতিভাষ্যের আলোকে নিজের প্রশ্ন ও প্রজ্ঞার বয়ান দিয়েছেন। এই সময়ের পাঠকদের জন্য এই প্রবন্ধটি চিন্তা, ভাবনা ও ভিন্ন প্রত্যাঘাতের দরজা খুলে দিতে পারে।

উপনিবেশ বা বিউপনিবেশের প্রবাহধারায় বিশ^ সংস্কৃতি পার করছে এক জটিল সময়কাল। সামরিক শক্তিতে শক্তিমান দেশগুলো সাম্রাজ্যবাদের কৌশল পাল্টে জায়গা জমিন দখল না করেও আকাশসংস্কৃতির আগ্রাসন চালাচ্ছে, সেইসঙ্গে চালাচ্ছে বাণিজ্যের দ্বৈতগীতির চর্চা। আজফার হোসেন বিশ^ সংস্কৃতির আজকের পরিপ্রেক্ষিতের শিকলে পা রেখে নিজস্ব আলোকায়নে লিখেছেন দুরন্ত প্রবন্ধ ‘সম্পর্কের সংস্কৃতি, সংস্কৃতির রাজনীতি’। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিরাজনীতির উদাহরণ সামনে। ১৯৫২ সালে জীবন উৎসর্গ করে যে বাংলাভাষা প্রতিষ্ঠা করেছে বাঙালিরা, সেই রক্তাক্ত বাংলাভাষা ভারতের আকাশসংস্কৃতির আগ্রাসনের কারণে থেঁতলে যাচ্ছে―সেইসঙ্গে বাংলাদেশের বেডরুমে, ড্রয়িংরুমে, রান্নাঘরে ঢুকে গেছে বিজ্ঞাপনের মোড়কে করাল অর্থনীতি। অথচ বাংলাদেশের সংস্কৃতির জ্ঞানপাপীরা ক্ষমতা দড়ির কারণে, একেবারে চুপ। এই প্রপঞ্চে আজফার হোসেনের ‘সম্পর্কের সংস্কৃতি, সংস্কৃৃতির রাজনীতি’ চামড়া তুলে নেওয়ার মতো লেখা।

ঈশ^রচন্দ্র বিদ্যাসাগর কী সময়ের অগ্রদূত ? সাদা চামড়ার বেনিয়াদের অবরুদ্ধ শাসনের সময়ে সকল সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে, কোটি কোটি  বামন বাঙালি ও  সীমাবদ্ধ ভারতবাসীর মধ্যে একমাত্র তিনি নতুন চিন্তা ও ধারণায় সব দেয়াল ভেঙে এগিয়ে যেতে চেয়েছেন। শিক্ষা দানে, শিক্ষা গ্রহণে, সমাজ হিতৈষণায়, মানুষের কল্যাণে তিনি ছিলেন, সবার আগে, সবখানে। সেই ঈশ^র শর্মাকে কেন্দ্র করে প্রবন্ধ লিখেছেন কথাসাহিত্যিক পূরবী বসু―‘সময়ের অগ্রদূত : ঈশ^রচন্দ্র বিদ্যাসাগর’।

প্রত্যেক মানুষের মধ্যে বাস করে দ্বৈততা। লেখক শিল্পী বিকল্প চিন্তার মনস্বীজনদের মধ্যে দ্বৈততার আবাস তুলনামূলক বেশি। কারণ, তাহারা ভাবিতে পারে, হিংসা করিতে পারে আবার অস্বীকারও করিতে পারে। ঘুংঘুর পত্রিকায় বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নির্দিষ্ট কৌণিক বিন্দু থেকে আলো রেখে বিশ্লেষণ করেছেন মোরশেদুল আলম। প্রবন্ধের শিরোনাম : ‘হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ : পূনর্বীক্ষণ’।

১৯৭১ সালে গোটা বাংলাদেশজুড়ে হায়েনা পাকিস্তানি বাহিনী যে আগ্রাসন চালিয়েছে, লক্ষ কোটি মানুষ হত্যা করেছে, নারী ধর্ষণ করেছে, পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে―মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে কোনও দেশে এত হত্যাকাণ্ড হয়নি। অথচ পাকিস্তানি সৈন্যরা ছিল মুসলমান, এই দেশীয় দোসর রাজাকারেরা ছিল মুসলমান―যাদের হত্যা করেছে তারা এই বাংলার ভূমিপুত্র, মুসলমান। তাহলে কেন হত্যা ? সেই সূত্রে ছোট এই দেশের প্রতিটি ভূমি কেন্দ্রে বধ্যভূমি।

হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসের আখ্যান প্রেক্ষিত নিয়ে চমৎকার নীরিক্ষা উপস্থাপন করেছেন মোরশেদ আলম। আগুনের পরশমণি. অনিল বাগচীর একদিন, সৌরভ, সূর্যের দিন এবং শ্যামল ছায়া―হুমায়ূন আহমদের পাঁচটি উপন্যাস প্রবন্ধ রচনা করেছেন প্রবন্ধকার। মোরশেদ আলম লেখেন― ‘হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ― অনুষঙ্গবাহী উপন্যাসসমূহ বিশ্লেষণ করলে কেবল তাঁর প্রাতিস্বিক শিল্পীসত্তারই নয় বরং সমগ্র বাঙালি জাতিসত্তার ক্রম-উত্তরণের ইতিহাস এবং তাঁর সৃষ্ট চরিত্রসমূহের সদর্থক জীবনচেতনায় ক্রম―উত্তরণের ইতিবৃত্তও অনেকটা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবজীবনের সঙ্কটদীর্ণ ও রক্তাক্ত স্বরূপ উন্মোচনে তিনি তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসসমূহে গ্রহণ করেছেন বিশ্লষণাত্মক পরিচর্যারীতি, ফলে চরিত্র চিত্রণরীতিতে  মুখ্য হয়ে  উঠেছে ব্যক্তিমানসের দৃষ্টিকোণ, অন্তর্ভাবনা, স্বগতকথন ও মনোবিশ্লেষণ।’

কথাশিল্পী আখ্যানের মধ্যে আখ্যানের বীজ বপন করেন―এই সময়ের উল্লেখযোগ্য ঔপন্যাসিক স্বকৃত নোমান ‘ঔপন্যাসিকের কথা’ সিরিজে ঘুংঘুর পত্রিকায় লিখেছেন, ‘উজানবাঁশির উজানকথা’। এখানে তিনি একটা উপন্যাস কীভাবে মগজের কম্পার্টমেন্টে চারপাশের অভিজ্ঞতা আর পড়াশোনার নির্যাস থেকে নির্মাণের সূত্র গ্রহণ করেন, তারই অনন্য শিল্পসূত্র লিখেছেন। ঘুংঘুরয়ের এ-সংখ্যায় গল্পকার ও গল্প : অমর মিত্র―বদর বদর, কাজী মোহাম্মাদ আলমগীর―কবি ও স্বর্ণ, ইশরাত তানিয়া―ধুলোবালি প্যাকেজ, রওশন রুবী―ভাইজান, সাদিয়া সুলতানা―ঘুলঘুলি, সায়মা আরজ― পালঙ্ক, সমাজ বসু―চ্যাপলিনের দুঃখ, রেজাউল ইসলাম হাসু―যুদ্ধের বিরুদ্ধে।

বই নিয়ে চমৎকার গল্প লিখেছেন অমর মিত্র।  লোভের মর্সিয়ায় মানুষ কতটা ডুবে থাকে, তারই অন্তবয়ন কাজী মোহাম্মাদ  আলমগীরের গল্প―কবি ও স্বর্ণ। করোনাকালে সবাই কি সর্বস্বান্ত হয়েছে ? নাকি কেউ কেউ মগডালে থেকে আরও বড় দাও মেরেছে ? নিশ্চয়ই দাও মেরেছে― গল্পকার ইশরাত তানিয়া ধুলোবালি প্যাকেজে অনন্য ঊষ্ণতায় তুলে ধরেছেন।

ঘুলঘুলি, ঘরের বা বারান্দার এক মুঠো ফাঁকা জায়গা, যেখান দিয়ে অন্ধকারে আলো আসে। নির্জন সেলে, জেলের মধ্যে ফাঁসির আসামি ছন্দা অপেক্ষা করে আলোর ফোয়ারার, কিন্তু চারপাশে অন্ধকার। সেই ঘন অন্ধকারে খুঁজে ফেরে প্রিয় কন্যা সুরভীকে। সুরভীকে নিজে হত্যা করেছিল―যখন গল্পের আখ্যান বাঁক নেয় তিনশ ডিগ্রি উল্টো দিকে―‘এমনি করে সেদিন সে মিশে গিয়েছিল একটা লোমহীন বুকে। দুপুরের নিস্তব্ধ স্বরে নিঃশ^াসের বিলোড়ন ছিল শুধু। ঘুলঘুলি ভেদ করে আলোর তেরছা নকশার ঝিলিক লেগেছিল তার নগ্ন বুকে। আলোডোবা স্তনাগ্র নিষ্পেষিত হচ্ছিল এক জোড়া বলবান হাতে। তারপর … জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়া দুটি চোখ মুহূর্তেই ছাইও করে দিয়েছিল শরীরের সব ভাঁজ, উত্তাল উলঙ্গ নিতম্ব সাঁই করে বিধ্বস্ত হয়েছিল ঘরের মেঝেতে। মা, মা … ও মা, করে একটি পাখি উড়ে গিয়েছিল ঘুলঘুলির ফাঁক গলে।’

গল্পকার  সাদিয়া সুলতানার গল্প আগে পড়িনি। ঘুলঘুলি পড়ে মুগ্ধ এবং চমকে উঠেছি। গল্পকারের দেখার, আখ্যান উপস্থাপনার অসাধারণ নির্মিতিতে অন্যস্বর অনুধাবন করা যায় । বিশাল ক্যানভাসকে সুইয়ের ডগায় বুনে দিয়েছেন সাদিয়া সুলতানা।

‘আজ যুদ্ধ সংক্রান্ত বাজেট অধিবেশনের চূড়ান্ত দিনে আপনাদের জানাই রক্তিম শুভেচ্ছা। আপনারা জেনে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত হবেন যে, পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র আমরাই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদনের পাশাপাশি যুদ্ধকেও মৌলিক চাহিদা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছি।’ ‘যুদ্ধের বিরুদ্ধে’ গল্পের মূল বার্তা―যুদ্ধ নয় শান্তি চাই। গল্পটি রচনা করেছেন রেজাউল ইসলাম হাসু। সাম্রাজ্যবাদের সর্বগ্রাসী গ্রাসে গোটা বিশ^ যেভাবে পুড়ছে, জ¦লছে―সেই পোড়া ও জ¦লার বিরুদ্ধে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় এই গল্পটি যুদ্ধের বিরুদ্ধে অনন্য প্রতিবাদ।

এ সংখ্যায় কবিতা লিখেছেন নির্মলেন্দু গুণ, শামস আল মমীন, বীথি চট্টোপাধ্যায়. ফারুক ফয়সল, আনোয়ার কামাল, নিরঞ্জন দে, পূজা ব্যানার্জী, রাবাত রেজা নূর, শিমূল জামান, আমীরুল আরহমা, জাফরিন সুলতানা। বিচিত্র  উপমায় উৎপ্রেক্ষায় কবিতাগুলো পাঠকদের মনের গহিনে ভিন্ন আলো ও অন্ধকার তৈরি করে।

১৯৭১ সালের এক অসামান্য নারী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। পাকিস্তানি হার্মাদ সৈন্যরা খুলনার এই নারীকে নিজেদের মতো করে  ব্যবহার করেছে―পাশবিক নির্মম এবং তুলনাহীন সেই মর্মযন্ত্রণার বিবরণ লিখেছেন ফেরদৌসী  প্রিয়ভাষিণী―নিন্দিত নন্দন গ্রন্থটিতে। তাঁর সাহস, তাঁর জীবনের ভেদ কাঠামোকে অস্বীকার করে সমাজের সকল দেয়াল ঠেলে নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্য উচ্চতায়―নিন্দিত নন্দন তারই ব্যাকুল বয়ান। এই বয়ানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার অমৃত-গরলের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত। আমরা যেদিকে দৃষ্টি দিই,স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি বিন্দু এইসব মহান নারীদের অপমানের লাঞ্ছনার রক্তহলাহলে নির্মিত, বিম্বিত। সকল যন্ত্রণা ধারণ করে ফেরদৌসী  প্রিয়ভাষিণী হয়ে উঠেছিলেন শিল্পীর আধার। তাঁর যুদ্ধ জীবনের সারাৎসার সাজিয়ে অনন্য চমৎকার ভবিষতের জন্য রেখে গেছেন তিনি। বইটির তীব্র তীক্ষè আলোচনা করেছেন লাবণ্য কান্তা।

ঘুংঘুর সাহিত্য পত্রিকাটি বিদেশে আমাদের আয়না। নির্দিষ্ট একটা মানদণ্ড ও নিয়মের মধ্য দিয়ে পত্রিকাটি এখানে এসে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা প্রকাশের সময়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে। এবং গোটা দুনিয়াজুড়ে চলছে আগ্রাসন হত্যা আর দখলের উৎসব। বড় মাছ গিলে খায় ছোট মাছ―সেই ধারাবাহিকতায় বিশ^ এগিয়ে চলছে মৃত্যুকূপের দিকে। পিছনে রেখে যাচ্ছে যে সময় ও সারথী তারই অনন্য রেখাপাত পাওয়া গেছে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ পর্বে, ‘সম্পাদকের খেরোখাতায়’।

একেবারে শেষের স্তবকে সম্পাদক লিখেছেন―‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিঃসন্দেহে মানব উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়নের নিয়ামক কিন্তু সমার্থক নয়। লক্ষণীয় যে, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মডেলগুলো প্রায় সবই পাশ্চাত্যর মডেলের অনুসরণ। কিন্তু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের মডেল আমাদের সতত পূজনীয় কি না―তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।’

এই দাঢ্য বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে আরও লিখতে চাই, বাংলাদেশ নিজের দেশের শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিজেদের অনুসরণ করুক। এই দায়বোধ কাঁধে নিয়েই তো একাত্তরে, এবং এখনও উচ্চারণ করছি―জয় বাংলা।

ঘুংঘুর পত্রিকার প্রবল সাফল্য কামনা করি।

 লেখক : কথাশিল্পী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed

shares