আর্কাইভবইকথাবইকথা

বইকথা : কবি পিয়াস মজিদের হাত ধরে : রূপকথার রাস্তাঘাটে : সাজিদ উল হক আবির

শূন্য দশকের কবিদের মধ্যে যার কবিতার সঙ্গে আমার সবচে দীর্ঘদিনের সখ্য, তিনি কবি পিয়াস মজিদ। সবচে বেশি পড়েছি তাঁর কবিতা, লেখাও হয়েছে সবচে বেশি তাঁর কবিতা নিয়েই। এ বছরের বইমেলায় প্রকাশিত তাঁর কাব্যগ্রন্থ রূপকথার রাস্তাঘাট হাতে তুলে নিলাম সেই জানাশোনার গণ্ডির মধ্যে থেকেই। বইয়ের মোড়ক খোলা মাত্র হঠাৎ করেই যেন বদলে গেল চারপাশের চেনা গণ্ডি। চোখের সামনে উন্মোচিত হলো রূপকথার রাস্তাঘাটের দ্বার। হাঁটছি আমি সে কবিতা বইয়ের পঙ্‌ক্তির সীমানা ধরে, সঙ্গী কবি স্বয়ং। আলাপের বাকি অংশটুকু সে পরিভ্রমণের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া।   

কবি পিয়াস মজিদের কবিতা চরিত্রগতভাবে কমিউনিকেটিভ। কবিতায় বিমূর্ততার দুর্ভেদ্য কুহক তৈরির প্রচেষ্টা তিনি প্রায় সচেতনভাবেই এড়িয়ে যান। ফলে তাঁর কবিতার বক্তব্য, একক এবং সম্মিলিতভাবে, ধরতে খুব একটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না। বক্ষ্যমাণ কাব্যগ্রন্থের এক প্রধান থিম হচ্ছে, কবির চল্লিশে পদার্পণ। চল্লিশ, প্রাজ্ঞতার বয়স। বোধিসত্তার এ স্তরে পা রেখে প্রেম, শরীর ও সামগ্রিকভাবে জীবনের সঙ্গে বোঝাপড়া কেমন দাঁড়ালো, এটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি, প্রথমত প্লেজার রিডিং-এ এবং পরে ক্লোজ রিডিং-এ।

শুরু করা যাক ‘চল্লিশ, কিন্তু চালশে নয়’ কবির প্রেম সংক্রান্ত দর্শন নিয়ে।

সন্দেহাতীতভাবে, পিয়াস মজিদের অধিকাংশ কাব্যগ্রন্থের মতো, কবিতারই রূপকথার রাস্তাঘাটের সবচে শক্তিশালী থিম, প্রেম। কখনও সে প্রেম প্লেটনিক, কখনও সে প্রেম শরীরী, কখনও সে প্রেম দার্শনিকতার চাদরে মোড়া, প্রেমের সংজ্ঞায়ন সংশ্লিষ্ট।     

কখনও আমরা দেখি, ভ্যালেনা এয়ারপোর্টে কবির সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল যে ‘মাস্কবতী বিদেশিনীর’, তার সে ‘নগ্ন চোখের ওজন’  কীভাবে তিনি মালে থেকে মোহম্মদপুরে বয়ে নিয়ে যাবেন, তা নিয়ে কবি দারুণ চিন্তিত। অথচ, বারকয়েক দৃষ্টি বিনিময় ছাড়া কোনও আলাপ তো হলো না তাদের মাঝে! সেই আফসোসই হয়তো কবি বহন করে নিয়ে চলেন আরেক কবিতায়। বলেন ‘আমার কাছে আসতে আসতে/তোমার কথাটা ঢাকা পড়ে গেলো/ঋতুচক্রের আবর্তনে।’ অব্যক্ত কবিতা এবং বিনিময় না হওয়া চুম্বনকে পঙ্ক্তির শরে বিদ্ধ করতে তিনি আগ্রহী হয়ে ওঠেন তাঁর আরেক কবিতায়। কবি বলে ওঠেন ‘কচি চাঁদের রক্তে অঘটিত চুমুরা ভেসে গিয়ে/নোঙ্গর করছে ঠোঁটের শুকনা দরিয়ায়।’ অবাক হয়ে দেখেন এবং বিস্ময় প্রকাশ করেন, একটা মাত্র ‘বেলাজ বসন্তেই তার’ প্রণয়িনী কেন ‘সন্ত্রস্ত’ হয়ে উঠেছে। 

কবির এ বীররসে ভাটা পড়তে দেখি অপর কিছু প্রেমের কবিতায়। তাতে কবিকে পাওয়া যায় হারানোর ভয় কিংবা হারিয়ে ফেলার বেদনায় আচ্ছন্ন অবস্থায়। দার্শনিকের মতো, কবিতা বইয়ের একপ্রান্তে তিনি বলে ওঠেন―‘ও ঢেউ/ কখনো আছড়ে পড়ো না/কোনও অনিচ্ছুক উপকূলে।’ তবু, সমুদ্রের স্রোত, আর মনের গতিপ্রকৃতি কবেই বা কারও কথা শুনেছে ?  

কবির আরাধ্য প্রণয়িনীর প্রতীক কোনও ফুল নয়, বরং গোটা বাগান। সেই বাগানে ফোটা অসংখ্য ফুলের মধ্যে তিনিও একটি। অসহায় কণ্ঠে তাকে আমরা প্রশ্ন করতে দেখি―‘বাগান, তুমি কি গন্ধ পাও প্রতিটি ফুলের মর্সিয়ার ?’ হাত ধরতে চান কবি, তাঁর আরাধ্য প্রণয়িনীর, কিন্তু তাঁর প্রেমিকা মহাজাগতিক। পরিণতি জানতে পারি কবিরই কণ্ঠে―‘তোমার হাত একটু ধরতে /পৃথিবী পালিয়ে চাঁদের ফুটপাথে/হেঁটেছি আনমনে,/কিন্তু তুমি তো উধাও বসন্ত/আর আমার পা মাত্র দুটো’ পৃথিবী জুড়ে কত কথার কতকথা, তবু প্রেমিকার সামনে দাঁড়িয়ে আর ভাষা খুঁজে পাওয়া হয় না। বৃষ্টির ছাঁট গোটা পৃথিবীকে ডুবিয়ে ভাসিয়ে গেলেও, তাদের কণ্ঠ থেকে যায় সাহারা মরুভূমির মতো শুষ্ক। কবি বলেন―‘বৃষ্টিতে সব ভিজে গেলেও/ আমাদের ভাষা/অনায়াসে শুকনো থাকে/সেখানে দাঁড়িয়ে।’ কথায়, কবিতায়, হেঁটে―কোনও কিছুর মাধ্যমেই যখন নাগাল পাওয়া যাচ্ছে না প্রণয়িনীর, কবি নিজের চূড়ান্ত আশ্রয় খুঁজে পান প্রেমিকার উদ্বৃত্ত স্মৃতির মাঝেই। তবু, প্রেমিকা তার ময়লা কাপড় লন্ড্রিতে ধৌত করতে দিলেও তাঁর ভয় হয়, স্মৃতি যতটুকু আছে, তা সে ময়লার সঙ্গেই ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেল কি না―‘গানে ভেজা শহরে/লন্ড্রি থেকে শুকনো কাপড়গুলো আসে।/দেখে নিও ভালো করে,/উদ্বৃত্ত স্মৃতিগুলো /ময়লার মতোই মুছে গেছে কি না।’ কবিকে কাতর কণ্ঠে বলতে শুনি―‘রাতের জোয়ানকি দেখতে/রাস্তা জেগে আছে,/রাস্তার শুরু বা শেষে/ কোথাও না কোথাও/তুমি তো আছোই;/ এই ধারণা নিয়ে / অনায়াসে বৃদ্ধ হতে থাকি।’

সব হারাদের মতো আফসোস করলেও, কবিকে তাড়িয়ে বেড়ায় হারানো স্মৃতির আকর সে মানবীর কাছ থেকে কিছু স্বীকৃতি আদায়ের। তিনি বলে ওঠেন―‘ভাবো আমি মরে গেছি/মরার আগে/তোমাকে জানিয়ে যাওয়ার মতো/ জীবন পাইনি।’ অনুরোধ করেন―‘ভাঙ্গা গান জোড়া দিতে দিতে/যে বুক নিজেই ভেঙ্গে গেছে/তার নিঃসঙ্গ মজলিশে/ তুমি চলে যাওয়ার আগে অন্তত/পাতলা একটা কম্বল টেনে দিয়ে যেও;’

সবকিছু চুকেবুকে যাওয়ার পর, মনে হয়, প্রার্থনাই এখন তার শেষ সম্বল―‘আমি বেঁচে বেঁচে/তোমার বিহৃদয় দেহের/মাগফেরাত কামনা করে থাকি।’ 

প্রেমে রাধাভাব, বা কৃষ্ণভাব, এ দুয়ের বাইরে, এক নৈর্ব্যক্তিক অবস্থানে দাঁড়িয়ে কবি এ কবিতার বইয়ে প্রেম সম্পর্কে কিছু দার্শনিক মন্তব্য করেন, যা বেশ সুন্দর। উদাহরণ―

‘প্রেমিক তো মূলত চোর,/আর নিজের নাম ভুলিয়ে দিতে না পারলে/তারে আবার প্রেম বলে নাকি…’

অথবা―

‘যত কূলেই যাও/নদী একটাই,/না ডুবেও/যে নদীতে অনায়াসে/ডুবে মরার কথা ভাবা যায়’

তার কিছু প্রেমের কবিতার সৌন্দর্য তাদের সরলতায়। উদাহরণ―

‘তোমার শহরের দিকে / হাঁটতে শুরু করলে/রাস্তা হয়ে যায় বন।/বনের মধ্যে হাঁটতে হয় না,/হারিয়ে যেতে হয়।’  

কিছু কবিতা শরীরী যৌনতায় তপ্ত। উদাহরণ―

‘এই গরমে তোমার নিঃসঙ্গ অন্তর্বাস ঘামছে।/গ্লোবাল কানেকটিভিটি ঠেকাতে পারছে না/তোমার অন্তর্বাসের একাকীত্ব! টপাটপ ড্রাগনফল খাচ্ছ, ভেতরের ড্রাগনের উত্থান ঠেকাচ্ছ ?/তোমার অন্তর্বাস ভালো জানে, কিছু উত্থান ঠেকানো যায় না’

প্রেমের কুহক পেরুলে আমরা আবিষ্কার করি, রূপকথার রাস্তাঘাটে কবি পিয়াস মজিদের বেশ কিছু কবিতা আছে জীবনের সঙ্গে তাঁর একান্ত বোঝাপড়া নিয়ে। এবং, তা সবক্ষেত্রে সুখকর নয়। একটা মানুষ, যিনি মূলত কবিতাকে আশ্রয় করেই কাটিয়ে দিতে চেয়েছেন এক জীবন, তিনি কবিতা এবং আশেপাশের মানুষদের কেমন রূপে আবিষ্কার করলেন চল্লিশে নট আউট থেকে ?

কবি মোহাম্মদ রফিকের ‘সব শালা কবি হবে…’-এর মতোই কবি পিয়াস মজিদকেও কিছুটা ত্যক্ত মনে হয় (অ)কবিতার কচকচানোতে। ক্ষেত্র বিশেষে অকবিদের কবিতা নিয়ে কুস্তির চে তার কাছে সুন্দর লাগে কুকুরের চিৎকারও। কবির নির্মম কণ্ঠে উচ্চারিত হয়―‘মানুষের বাচ্চাদের কবিতায় ত্যক্ত/কুকুরের মায়াবী কল্লোল।’ নান্দনিকতা, ঋষিসুলভ প্রগাঢ়তর বদলে এইসকল কবিযশোপ্রার্থীদের বুকের মাঝে থাবা গেড়ে বসে আছে ভাইরাল হবার ধান্দা- ‘নূপুর পুড়ে গেছে কার/গান শেষে সবাই নাচসেদ্ধ খাবে/নন্দনের লাবড়া ঝিলিকঝালিক মারবে/কবিতার কলজেতে বসা আছে/ অব্যর্থ রিপন আর তার সাঙ্গপাঙ্গ ভিডিও।’    

কেওটিক পৃথিবীতে হয়তো খানিকটা স্নিগ্ধতার আহ্বানে সাড়া দিতেই তিনি কবিতার কাছে এসেছিলেন। কিন্তু কাছে এসে দেখলেন, এও এক নিদারুণ মরীচিকা। এখানেও ফক্কিকার। কবির সরল কনফেশন―‘পৃথিবীতে এত কোলাহল দেখে/একটু নির্জনতার লোভে কবিতার কাছে আসলাম/কবিতার এত কিচিরমিচির শুনে/মনে হয় ধরা খেয়ে গেলাম/কথা ও নীরবতার মাঝখানে/ কবিতা তো এক প্রকার ধরা খাওয়ার নাম।’

এত কিছুর পর, কার ভালো লাগে জীবনের পুরোটা নিংড়ে দিতে কবিতার খাতায় ? কবির বোধোদয় ঘটে-  

‘মানুষ তো তা-ই শুনে যাতে তার কানের আরাম/বাদবাকি যা গামলা ভরা গানের ময়লা’

অথচ জীবন নিয়ে তাঁর চাওয়া পাওয়া খুব বেশি কিছু তো ছিল না। কবি বলেন―‘মরে যাওয়ার আগে/আমি বৃষ্টি চেয়েছি/মাত্র ৫০০ পেগ।’ তাঁর বোহেমিয়ান সত্তা, পথ পরিক্রমণের মাঝেই খুঁজে পেয়েছিল নিজেকে- ‘গন্তব্য খুঁজি না/যতদিন আছি/রাস্তায় ঢেলে দিতে থাকি/চলাচলের রং’

এই করতে গিয়ে তাঁর চোখে পড়ে যায় দুনিয়ার বুকে যত সব ময়লার ঢিবি। আবিষ্কার করে ফেলেন কাঁচের দুরারোগ্য ব্যাধি- ‘নিজেকে দেখতে গিয়ে/দেখে ফেলি/আয়নার অসুখ’

টের পান ইনফ্লুয়েন্সারের ভারে ভারাক্রান্ত পৃথিবীতে বেঁচে থাকার বেদনা―‘ভেতরে ভেতরে / কেউ বেঁচে থাকতে চাইছে না/তাদের জোর করে/ বেঁচে থাকতে বলেছে/একের পর এক হারামি ইনফ্লুয়েন্সার’

ত্যক্তবিরক্ত কবি সরে যেতে চান পানিতে বই গুলে খাওয়া জ্ঞানপাপীদের কাছ থেকে― 

‘যারা বই পড়েছ শয়ে শয়ে… আমি তাদের আলো থেকে দূরে চলে যেতে চাই… যেন সহজ সুখ আর সহজ দুঃখের পৃথিবীকে/অক্ষরের ঘোরপ্যাঁচ মধ্যস্থতায় না দেখে/সরাসরি আমার চোখের মূর্খতায় দেখতে পাই’

জুলুমে ভরা পৃথিবী থেকে লুকিয়ে আশ্রয় নিতে চান মাতৃজঠরে― 

‘দৃশ্যের জুলুমে দুনিয়া ঘুরতেছে/ সকাল লাফ দিতেছে দুপুরে, দুপুর বিকালে।/এতো লাফালাফি দেইখা/ আমি আরও পিছায়ে ঢুকে যেতেছি/ জন্মের আগেকার নিরিবিলি আম্মার পেটে’

মানুষ ও প্রেমিক হিসেবে ভঙ্গুর, কিন্তু কবি হিসেবে প্রত্যয়ী চল্লিশে পদার্পণকারী কবিকে আমরা সবকিছু ছাপিয়ে উদ্যাপন করতে দেখি তাঁর জীবনের এই নতুন অধ্যায়, বক্ষ্যমাণ কাব্যগ্রন্থে। চল্লিশে পা রেখে নিজেকে নিজে পরামর্শ দেন―‘জীবন ও কবিতায়, তুমি কখনও ম্যাচিউর হয়ো না।/প্রতিটি পরিণতি একপ্রকার সীমাবদ্ধতা/ যেমন ফণা তোলা সাপ বিষে সীমাবদ্ধ… চল্লিশ হয় হোক / চালশে না হও’

নিজেকে প্রায় প্রায়ই স্থাপন করেন মির্জা গালিব ও জীবনানন্দ দাশের পাশে। কখনও তার মনে হয়, হয়তো দিল্লিতে, গালিবের কবরের পাশে বসে গালিবের কাবাবেই কামড় বসাচ্ছেন তিনি। কখনও পাঠকের উদ্দেশে বলে ওঠেন আত্মহত্যার অবশ্যম্ভাবিতার মুখোমুখি হতে হলে পাঠ করতে হবে পিয়াস ও জীবনানন্দ দাশকে। যেমন― 

‘দিল্লিতে গালিবের কবরের কাছে এক কাবাবখানায়… অভুক্ত গালিবের ভাগের কাবাব খেয়ে ফেলতেছি আমি… গালিবের মতো একদিন পিয়াসও তো মরে যাবে, তবু কাবাব ভাজা হবে পৃথিবীর দোকানে দোকানে’

অথবা 

‘আত্মহত্যা বরখাস্ত করতে না চাইলে/ হেমন্তসন্ধ্যার আগে আগে/তোমার পড়তেই হবে/পিয়াস ও জীবনানন্দ দাশ’

তার স্মৃতিচারণে শারমিন রাহমান ও রাজীব আশরাফ ফলকবদ্ধ হয়ে রইলেন এই কাব্যগ্রন্থে। বিশেষ করে কবির প্রয়াত বন্ধু রাজীব আশরাফের ব্যাপারে এই পঙ্ক্তি অবশ্যম্ভাবীরূপে ঘাই দিয়ে যায় পাঠকের মনে, যেখানে কবি আফসোস করে বলেন―

‘আমাদের অপকল্পনার ঠাটবাটের সঙ্গে লেবু না মিশাইয়া/আপনি মরণের চুমার দিকে গাল বাড়াইয়া দিতেছেন!’

বইটি থেকে কিছু কবিতা বাদ দিলে হয়তো সংকলনটা আরও নিখুঁত হতো। তবে এই সামান্য একটু খুঁত সহই বইটা আমাদের ভ্রমণ করিয়ে আনে রূপকথার রাস্তাঘাট ধরে।   

আলাপ শেষ করছি বইটি থেকে আমার সবচে প্রিয় কবিতাটি উদ্ধৃত করে―

‘যারা মরে যায়

তারা বেঁচে যায়,

যারা বেঁচে থাকে

রুহের রোদ আর ছায়া

জোড়া দিতে দিতে

তাদের বুঝে আসে

এই জীবনে যাদের সঙ্গে

প্রেমে পুড়বার কথা ছিল,

তারা সব বিবাহে ভিজে আছে’

কবিতা―এলাস

বেঙ্গল বুকস থেকে ২০২৫-এর বইমেলায় প্রকাশিত এ কবিতার বইয়ে কবির কবিতার নান্দনিকতার সঙ্গে সমানে সমানে পাল্লা দেয় বইয়ের কাভার ডিজাইন এবং পৃষ্ঠার অলঙ্করণ/ইলাস্ট্রেশন। কবিতার বইটিকে সামগ্রিকভাবে নান্দনিক আঙ্গিকে পাঠকদের সামনে উপস্থাপনের জন্যে বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পী ও প্রকাশক আজহার ফরহাদ ভাইয়ের বিশেষ ধন্যবাদ প্রাপ্য।

 লেখক : প্রাবন্ধিক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button