সাক্ষাৎকার : ‘স্মার্টফোনের নেশা বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নেশা। মানুষ বড় ব্যস্ত। কারও কোনও সময় নেই বই পড়ার’ -হেলাল হাফিজ

‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’
‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’র এই লাইন দুটি সাধারণ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত। তিনি কবিতাকে সেøাগান করেননি। কিন্তু তার এই পঙ্ক্তিগুলো সেøাগান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তখনও, এখনও। তবে এ কবিতার সেরা আরেক অংশ হলো প্রেম ও দ্রোহের নিপুণ মিশ্রণ, যা হেলাল হাফিজকে শনাক্ত করেছে ‘মেজর-পোয়েট’ হিসেবে।
হেলাল হাফিজের কবিতার সংখ্যা বেশি নয়। অল্পসংখ্যক এই কবিতা নিরন্তর বেজে চলছে আমাদের মগজে-মননে। বিষয়-বৈচিত্র্য ও প্রকরণগত দিক থেকে হেলাল হাফিজের কবিতার ক্যানভাস ব্যাপক। এখানে যেমন আছে আবেগ-অনুভূতি, প্রেম-ভালোবাসা, দুঃখ-যন্ত্রণা, স্বপ্ন দেখার আনন্দ কিংবা স্বপ্ন-ভঙ্গের বেদনা তেমনি আছে রাষ্ট্র, সমাজচিন্তা। হেলাল হাফিজের প্রথম কাব্যগ্রন্থের ছাপ্পান্নটি কবিতা বিশ্লেষণ করলেই এর সত্যতার প্রমাণ মেলে। দ্বিতীয় বইয়ে থাকা চৌত্রিশটি প্রেম-বিরহের কবিতা দিয়ে করেছেন নীরব প্রতিবাদ। নষ্ট-ভ্রষ্ট এই আকালের কালে, খুন-ধর্ষণ যখন নিত্যসংবাদ; তখন হেলাল হাফিজ লিখেছেন এইসব প্রেমের কথা, সুন্দরের কথা। দেখিয়েছেন প্রেম দিয়েও প্রতিবাদ হয়।
হেলাল হাফিজের কবিতার কথা, শব্দ, চিত্র, উপমা, উৎপেক্ষা আমাদের ভেতর তৈরি করে এক অনুপম ঢেউ। তাঁর কবিতা বিপুল চিত্রকল্পে ভাস্বর। সংযম আর পরিমিতবোধ তাঁর কবিতাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। উচ্চকণ্ঠ নয়, নিচুস্বরে তিনি গেয়েছেন মানুষের জয়গান। ‘অশ্লীল সভ্যতা’র মতো লক্ষ্যভেদী উজ্জ্বল পঙ্ক্তি এসেছে তাঁর কলম থেকে। জীবন অপার সুখের নয়, কেবল চাঁদের কিরণ, পাখির গান আর গোলাপবীথি নেই জীবনে, বরং বেশির ভাগই কণ্টকময়, দুঃখপীড়িত। এই দুঃখকে শিল্পে রূপান্তর করেছেন হেলাল হাফিজ। কষ্টকে বরণ করে হয়েছেন নীলকণ্ঠ। যেমনটা করেছেন কিটস কিংবা শেলির মতো মহত্তম কবিরা।
হেলাল হাফিজ সংসার করেননি। বিরহ যাপন করেছেন আপন নিষ্ঠায়। তিনি বলেন, বিরহের চেয়ে মধুর কিছু নেই। হেলাল হাফিজের কবিতায় বেশ কয়েকজন নারী চরিত্র লক্ষ করা যায়। কবিতা পাঠকদের কাছে ধ্রুপদী এক অস্পষ্টতা হয়ে আছেন এই চরিত্রগুলো। এরা কি জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘নীরা’র মতো কাল্পনিক নারী নাকি তার অস্তিত্ব রক্তমাংসের! কবি পেয়েছেন বহু পুরস্কার। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার হলো বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (২০১৩) ও একুশে পদক (২০২৫)।
করোনাকালীন পৃথিবীর আগে, প্রেসক্লাবের মিডিয়া সেন্টারে কবি হেলাল হাফিজের সঙ্গে রাহাত রাব্বানীর অকপট আলাপচারিতায় উঠে এসেছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর। এসেছে জীবনের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির কথাও।]
প্রশ্ন : আত্মজীবনীটা কি লিখবেন ?
উত্তর : আত্মজীবনীটা লিখে যেতে চাই।
প্রশ্ন : তেত্রিশ বছর পর নতুন কবিতার বই বের হলো, এই আনন্দ কেমন ?
উত্তর : আনন্দের চেয়ে ভয়ই বেশি। সবসময় এ ভয় কাজ করেছে বেদনাকে বলেছি কেঁদো না যদি যে জলে আগুন জ্বলের ধারের কাছে যেতে না পারে! গত কয়েক বছর ধরে ঘষামাজা করে প্রায় ২০০ কবিতা থেকে মাত্র ৩৪টি কবিতা বাছাই করে এই বই করেছি।
প্রশ্ন : প্রকাশের পরপরই তো বইয়ের কয়েকটি সংস্করণ বের হয়ে গেল…
উত্তর : হ্যাঁ। বইমেলা থেকে অনেকে বই কিনে এখানে এসে অটোগ্রাফও নিচ্ছে।
প্রশ্ন : বইমেলায় যেতে ইচ্ছে করে না ?
উত্তর : ইচ্ছে করে না, তা না। ইচ্ছে করে। কিন্তু শরীর তো খুব নাজুক।
প্রশ্ন : শরীরের এই নাজুক অবস্থার জন্য আপনি নিজেও কি দায়ী নন ?
উত্তর : মুচকি হাসি।
প্রশ্ন : আচ্ছা, বেদনাকে বলেছি কেঁদো না প্রসঙ্গে ছিলাম। ছোট ছোট সব কবিতা বইয়ে। এর কারণ কী ?
উত্তর : স্মার্টফোনের নেশা বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নেশা। মানুষ বড় ব্যস্ত। কারও কোনও সময় নেই বই পড়ার। এই বই পড়তে বিশ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না। এই ছিল একটা ভাবনা।
প্রশ্ন : আরও কোনও ভাবনা ছিল ?
উত্তর : একটু খেয়াল করে দেখো, আমরা একটা অস্থির সময় পার করছি, একটা আকাল…
প্রশ্ন : জীবনানন্দের কবিতার লাইনের মতো ?
উত্তর : কোন লাইন ?
প্রশ্ন : যাদের হৃদয়ে কোনও প্রেম নেই প্রীতি নেই করুণার আলোড়ন নেই, পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া
উত্তর : হ্যাঁ, ঠিক ধরেছ। এই ভাবনাটাই কাজ করেছে। নষ্ট-ভ্রষ্ট সময়ে দাঁড়িয়ে আমি প্রেমের কথা বলেছি, বিরহের কথা বলেছি। প্রেমও প্রতিবাদের ভাষা। প্রেম দিয়েই অনেক কিছু জয় করা যায়।
প্রশ্ন : এই কবিতাগুলো তো ‘কবিতা একাত্তরে’ও ছিল!
উত্তর : সবগুলো ছিল না। কিছু ছিল। ওটা তো আমার মৌলিক গ্রন্থ না। তাছাড়া কবিতাগুলোর আলাদা শিরোনামও ছিল না। ‘অচল প্রেমের পদ্য’ শিরোনামে ধারাবাহিক লেখা ছিল।
প্রশ্ন : এই বইয়ের অধিকাংশ কবিতাই তো মানুষের জানা―
উত্তর : তুমি তো আমার কবিতা পড়েছ। তুমি তো ‘বুকের দোকান’ কবিতাটি আগে পড়োনি। এই কবিতা সম্ভবত সত্তরের দশকে লেখা। তখন নিউ মার্কেটে তুমুল আড্ডা দিই। সে সময় তো খোলামেলা পোশাক তেমন ছিল না। কিছু কিছু কাপড়ের দোকানে ব্লাউজ ঝুলিয়ে রাখতো, যা ভালো করে দেখলে অবিকল নারীর দেহ মনে হতো। বয়সই ছিল উস্কানি দেওয়ার মতো। এই কবিতাটি তখন লেখা।
প্রশ্ন : তবে এতদিন পেলাম না কেন ?
উত্তর : আমিই ভুলে গিয়েছিলাম এ কবিতার কথা। কয়েক মাস আগে পেলাম। তাও একটা অনুষ্ঠানে যেয়ে। এই বইয়ে কিন্তু আমার আব্বার লেখাও আছে।
প্রশ্ন : এটা কীভাবে ?
উত্তর : আমার আব্বা কবি ছিলেন। কবিতা লিখতেন। একবার এক চিঠিতে কবিতাটি লিখেছিলেন ‘রেটিনার লোনাজলে তোমার সাঁতার/ পিতৃদত্ত সে মহান উত্তরাধিকার।’ আব্বা এই লাইন কটি লিখে আরও লিখেছিলেন, ‘এই বেদনা তুমি লালন করবে এবং চেষ্টা করবে এই বেদনাকে শিল্পে রূপান্তর করতে।’ আব্বাকে সম্মান জানিয়ে উদ্ধৃতচিহ্নের মধ্যে এই কবিতাটি রেখেছি। নাম দিয়েছি ‘পিতার পত্র’।
প্রশ্ন : এই সব কারণে কি একাই থেকে গেলেন ? জীবনের এ সময়ে এসে কী মনে হয় ?
উত্তর : এখন মন তো চায় কেউ একজন থাকুক। সারাদিন প্রেসক্লাবে কতজন দেখা করতে আসে, এভাবে দিন কেটে যায়। প্রেসক্লাব আমার সেকেন্ড হোম নেই আর, ফাস্ট হোম। কিন্তু রাতে যখন হোটেলে যাই, মনে হয় কেউ একজন যদি থাকত অন্তত কথা বলার জন্য। শারীরিক কারণে না, মানসিক কারণেই মনে হয় একজন সঙ্গী থাকা দরকার ছিল।
প্রশ্ন : সে সুযোগ কি নেই এখন ? আপনার তো নারীভাগ্য চমৎকার…
উত্তর : জুয়ার ভাগ্যও কিন্তু চমৎকার। তবে আমি জুয়া খেলতাম জীবিকার প্রয়োজনে। অনেক দিন এই জুয়াই ছিল আমার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম।
প্রশ্ন : অথচ আপনার নারীভাগ্য নিয়ে কথা শুরু করেছিলাম…
উত্তর : সবকিছু এই কবিতার কারণেই। (হাসি) আমি তো পরিণত যৌবনে জিগেলো ছিলাম। পয়সাওয়ালা নারীরা টাকার বিনিময়ে আমাকে নিয়ে যেত। এমনটা তো সচরাচর আমাদের এই সমাজব্যবস্থায় হয় না।

প্রশ্ন : তা তো বটেই। এই নারীরা কি কবিতায় কোনও প্রভাব ফেলেছে ?
উত্তর : কারা ? যারা আমাকে ভাড়া নিয়ে যেত ?
প্রশ্ন : হ্যাঁ…
উত্তর : সবাই-ই তো কিছু না কিছু প্রভাব রেখে যায়। যে জলে আগুন জ্বলের কবিতাগুলোতেও অনেক নারীর উপস্থিতি আছে।
প্রশ্ন : সবিতা মিসট্রেস, হেলেন, হীরণবালা, তনা―এই তো ?
উত্তর : আরেকজনের নাম আছে―রানা। ‘অন্যরকম সংসার’ কবিতায় আছে দেখো ‘এবার রানা তোমায় নিয়ে আবার আমি যুদ্ধে যাব।’
প্রশ্ন : রানা কে ?
উত্তর : রানা আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গী। পুরো নাম রানা মল্লিক। হিস্ট্রিতে পড়ত। ওর বড়বোন পড়ত ফিজিক্সে। আলো করা সুন্দর ছিল ওরা। পথে যখন ওরা হাঁটতো, সবাই তাকিয়ে থাকত ওদের দিকে। এমনি সুন্দর ছিল।
প্রশ্ন : সবিতা সম্পর্কে তো আগে থেকেই জানা আছে আমাদের…
উত্তর : তিনি তো আমার ১২ বছরের বড়। কোনও সুন্দরী মহিলাকে দেখলেই মনে হয়―ইস ইনি যদি আমার মা হতো! সবিতা সেন তেমন। যার সঙ্গে শারীরিক উদ্দীপনার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু তার অমিত লাবণ্য আমাকে কল্পনায় অনুপ্রাণিত করত।
প্রশ্ন : হেলেন তো আপনার প্রেমিকা ছিলেন ?
উত্তর : হেলেন আমার প্রায় সমবয়সী ছিল। আমি ওর প্রেমে পড়েছিলাম। হেলেন কিন্তু আহামরি সুন্দরী ছিল না, সুন্দরী ছিল ওর মা।

প্রশ্ন : কিন্তু হেলেনের নামে কোনও কবিতা দেখলাম না। হিরণবালাই কি হেলেন ?
উত্তর : হিরণবালা একদম আলাদা। তার নামেই রচিত হয়েছে একটি কবিতা। হিরণবালা পেশায় সেবিকা ছিলেন। সেবার গণঅভ্যুত্থানে ক্লাস বন্ধ থাকায় নেত্রকোনায় চলে যাই কয়েক দিনের জন্য। যেয়েই ওখানকার বন্ধুদের মুখে শুনি এক জাঁদরেল নার্স এসেছে। পরিচয় হলেও তেমন ঘনিষ্ঠতা হয়নি সেবার। একটা চুমু পর্যন্তও খেতে পারিনি। ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে পরের বার। প্রায় বিশ দিনের ছুটি। যৌবনের তৃষ্ণাকাতর মন ও জীবন মুক্তি পেলো। হিরণবালা কিন্তু বিবাহিত ছিলেন। ওর স্বামীর সঙ্গে বসেও আড্ডা দিয়েছি। কবি হিসেবে ঢাকায় তখন আমার পরিচয় আছে, সেজন্য কদর একটু বেশি। গণঅভ্যুত্থানের পর আমি ঢাকায় ফিরি। হিরণবালার কর্মস্থল পরিবর্তন হয় এরপর। তারপর যোগাযোগ হয়নি আর।
প্রশ্ন : আর তনা ?
উত্তর : তসলিমা, তসলিমা নাসরিন। আমার ‘ব্রহ্মপুত্রের মেয়ে’ কবিতাও তসলিমাকে নিয়ে লেখা। এদের বাইরে আরও একজন আমার কবিতায় মিশে আছেন, তিনি রেণু আপা।
প্রশ্ন : এই নাম ঠিক খেয়াল হচ্ছে না…
উত্তর : সবিতা, হেলেন, হিরণবালার নাম সরাসরি কবিতায় এসেছে। তাদের কথা তোমার জানা। কিন্তু এর বাইরেও একজন নারী আছেন যার নাম সরাসরি কোনও কবিতায় নেই।
প্রশ্ন : রেণু আপা! তিনি কে ছিলেন ?
উত্তর : হ্যাঁ, তিনি রেণু আপা। তিনি আমাকে সাংঘাতিক প্রভাবিত করেছেন। রেণু আপা ছিলেন অসাধারণ সুন্দরী। বিদুষী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী। আমি মগ্ন ছিলাম তার অবিমিশ্র প্রেমে। আমি মুন্সিগঞ্জে চাকরি করেছি বাবার সঙ্গে অভিমান করে তা তো তুমি জানোই। তখন রেণু আপাকে ঘিরে ভালোবাসা গাঢ় হয়। রেণু আপা তখন চাঁদপুরে। আমার ফুপা মানে রেণু আপার বাবা তখন মুন্সিগঞ্জে। প্রথম সেখানেই থাকতাম। রেণু আপা রবিবারে আসতেন। সোমবারে চলে যেতেন। তাকে লঞ্চে তুলে দিতে যেতাম আমি। লঞ্চ ঘাট থেকে ছেড়ে দিত আমি দাঁড়িয়ে থাকতাম। আমার চোখ দিয়ে দরদর করে পানি পড়ত। এর কোনও ব্যাখ্যা নেই। কেবল অনুভূতি। তখনকার রক্ষণশীল পরিবারের জন্য তাকে কিছু বলতে পারিনি। তিনি তো ছিলেন আমার চেয়ে ১২/১৩ বছরের বড়। ‘প্রতিমা’, ‘ইচ্ছে ছিলো’ কবিতাগুলো কিন্তু তাকে নিয়ে লেখা।
প্রশ্ন : আপনার মতো এমন প্রেমের ভাগ্য পেয়েছিলেন আবুল হাসান…
উত্তর : আমার সমসাময়িক কবিদের মধ্যে আবুল হাসানকেই আমি একমাত্র ঈর্ষা করি। এই ঈর্ষা নোংরা না, শৈল্পিক। যে কোনও শিল্পীর এই ঈর্ষা থাকতে হবে।
প্রশ্ন : এই সময়ে এসে কোনও অপ্রাপ্তির কথা মনে পড়ে ?
উত্তর : মাতৃস্নেহ―এই একটা অপ্রাপ্তিই আমার। কিছু বুঝে উঠবার আগেই মা মারা যান। তার কোনও স্মৃতি নেই আমার। এছাড়া কোনও অপ্রাপ্তি দেখি না। আমি আমার যোগ্যতার চেয়ে অনেক বেশি আদর পেয়েছি। এই সবই আমার সঞ্চয়। সারা জীবন মানুষ জমাতে চেয়েছি। সবাই জমায় টাকা, আমি চাই মানুষ জমাতে।

প্রশ্ন : অনেকক্ষণ ধরে গল্প করলাম। আরেকটা বিষয় জানতে চাই।
উত্তর : বলো।
প্রশ্ন : কবিতার আরও বই করবার ইচ্ছা আছে ?
উত্তর : আরেকটি কবিতার বই করতে চাই। দেখি কতদূর পারি। আলস্য তো আমার নারীর চেয়েও প্রিয়। তাছাড়া আমার আত্মজীবনীটা লিখতে চাই।
প্রশ্ন : এটা লিখুন, প্লিজ।
উত্তর : শুরু করেছি। কিছু অংশ লেখা হয়েছেও। কিন্তু শরীর খুব একটা সায় দিচ্ছে না। বাম চোখে তো দেখি না একদম।
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
প্রেসক্লাব



