
লোকরঞ্জন কিংবা আনন্দ নিবেদন একসময় শিল্পসৃজন ও পরিবেশনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। তখন আখ্যান-গীতিকার গভীরে প্রচ্ছন্নভাবে ব্যক্তির দুঃখ-বেদনা ঠাঁই পেলেও বিনোদনের ডামাডোলে তা উবে যেতো। আধুনিক কালে এসে অনেক দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে মানুষের হৃদয়ও যেনো মুক্তি পেলো এবং অবকাশ পেলো নিজের ইচ্ছের প্রতি ভালো করে তাকাবার। আমরা দেখলাম শিল্প-সাহিত্যে তার প্রভাব, দেখলাম কীট-পতঙ্গ, মাছ ও মাছি যেমন শিল্পের বিষয়-চরিত্র, তেমনি হৃদয়ের গোপনতম আকাক্সক্ষাও অবমুক্ত হলো বাধাহীন ভাষায়। তবে শিল্পীর কিংবা কবির সকল ভাষ্য ও সৌকর্য যে পাঠক পিয়াসুর কাছে সাদরে গ্রাহ্য হয়েছে বা তার সঙ্গে উপযুক্ত যোগাযোগে সক্ষম হয়েছে তা কিন্তু নয়। চিন্তার উৎকর্ষ ও সৌন্দর্য প্রক্ষেপণ প্রচেষ্টার পাশাপাশি ভাষার সঙ্গে চিন্তার দূরত্ব নিরসনও কবির কর্ম-প্রকল্পের আওতাধীন বিষয়। মানুষের ইচ্ছে, অনুভূতি ও অভিজ্ঞান গ্রন্থনায় ভাষায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভাষা সাধারণ যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা মেটালেও অন্তরীণ ও অভিনব ভাব বর্ণনায় তার স্পষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এটি আমরা কবিতায় দেখতে পাই, এমনকি চিত্রকলার ক্ষেত্রেও তা প্রকট। এমন অনেক উন্নত কবিতা ও শিল্পকর্ম মানুষের আলোচনার আড়ালে রয়েছে কেবল তার ভাব ও ভাষা উদ্ধারে পাঠক-দশনার্থীর বোধের সীমাবদ্ধতার কারণে। আবার দেখা গেছে অনেক স্থূল কাজ বা শিল্পকর্মও রয়েছে, যেগুলো কেবল যোগাযোগের অনুকূল্যে সমাদৃত হয়েছে। কবিতা কিংবা শিল্পবস্তুর বিষয়ের সঙ্গে পাঠক-শ্রোতার আবেগের নৈকট্য-সৃজন অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে পড়হপবৎহরহম ঃযব ংঢ়রৎরঃঁধষ ধৎঃ গ্রন্থে শিল্পী কনদিনস্কির (ধিংংরষু শধহফরহধংশু) মন্তব্যটি স্মরণযোগ্য: ‘শিল্পকর্মকে তখনই সার্থক এবং সফল বলব যখন শিল্পী এবং দর্শকের আবেগের মধ্যে কোনও ব্যবধান থাকবে না।’ কোনও ব্যবধান থাকবে না।’

ময়ুখ চৌধুরী সত্তর দশকের কবি, যদিও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের নিস্পৃহতার ফলে তা অবমুক্ত হতে বেশ সময় লেগেছে। ময়ুখ চৌধুরীর কবিতার বিষয়ে একটি সাধারণ ধারণা প্রচলিত, সেটি হচ্ছে তিনি ত্রিশের দশকের কবিদের আত্মবাদী ধারার উত্তরাধিকার। এ ধারণার কিছুটা তাৎপর্য থাকলেও তা সর্বাংশে যথার্থ নয়। ত্রিশের কবিদের নির্মাণশৈলী থেকে তিনি আলাদা এবং পুরোদমে সমকালীন ভাষাভঙ্গির প্রতিনিধি। বিষয় নির্বাচনেও জীবনপ্রবাহ এমনকি প্রাকৃতিকতার বহুবিধ অনুষঙ্গ তাকে তাড়িত করেছে যার সাক্ষাৎ আমরা তাঁর কবিতায় বারবার পেয়েছি। আরেকটি ব্যাপার যা সম্পর্কে আমরা শুরুতে বলেছি, অর্থাৎ শিল্পী ও দর্শকের আবেগের ব্যবধান দূর করা, এক্ষেত্রেও ময়ুখ চৌধুরী বেশ সফল যার অসংখ্য দৃষ্টান্ত তাঁর কবিতাসংগ্রহে ছড়িয়ে রয়েছে, এ দিকটিও ত্রিশের কবিদের দৃঢ়-সংহত বাকনির্মিতি থেকে তাকে আলাদা করেছে। এখানে আমরা ময়ুখ চৌধুরীর সরল অথচ হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া একটি কবিতার কয়েক ছত্র উদ্ধৃত করছি :
‘মাঝে মাঝে দূরে যাওয়া ভালো
দূরে গেলে কাছে আসা যায়
বুঝা যায় কেউ কাছে ছিল।
জোনাকীরা উড়ে যায়, মানুষেরা দূরে যায়
দূরে যাওয়া ভালো।
কাছে এলে দহনের জ¦ালা
দূরে গেলে আলো
মাঝে মাঝে দূরে যাওয়া ভালো।’
আটপৌরে জীবনের নিদারুণ অভ্যস্ততার মধ্যে আমাদের হৃদয়ের স্ফূর্তি ও স্বপ্ন যেমন মার খায়, তেমনি ভালোবাসাও নিঃশেষ হতে থাকে। স্বপ্নের সীমাহীন প্রসার যেখানে রুদ্ধ সেখানে সৃজন স্তিমিত। আপাত বেদনার মনে হলেও দূরে গেলে, বিরহে পুড়লে বোঝা যায় ভালোবাসা ছিল। কবি ময়ুখ চৌধুরী পরাহত প্রেমের এই ভাবনাকে অত্যন্ত কোমল ও নান্দনিক ভাষায় নিবদ্ধ করেছেন তাঁর ‘মাঝে মাঝে’ শীর্ষক উল্লিখিত কবিতায়।
বিষয় বৈচিত্র্য কবির সক্ষমতাকে জানান দেয়। কেবল অন্তর্গত আনন্দ বেদনা নয়, জীবন জগতের ঘটনাপ্রবাহ, পরিপার্শ্ব এমনকি নাগরিক জান্তবতা কবি ময়ুখ চৌধুরীর কবিতায় বাক্সময় হয়ে উঠেছে। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আসা নিপীড়িত মানুষের বিপন্নতার পাশে অবস্থিত সমুদ্রের বিবরণে তিনি লেখেন : ‘পারি না সমুদ্র কিনতে/ আমি তাই নুন কিনে আনি।/ ভাতের পাশেই রাখি সমুদ্রের শাদা মৃতদেহ।/ কতো শতবার দক্ষিণের নোনা হাতছানি/ সে হাত তোমার নয়।/ রোহিঙ্গা তাঁবুর পাশেই আর্তনাদে ছিটকে পড়া কবির কলম’ (ভাতের থালার পাশে)।
দীর্ঘ কবিতায় কবিদের শক্তি ও সক্ষমতা টের পাওয়া যায়। বাংলা ভাষার বড় কবিদের প্রায় প্রত্যেকেরই বহুশ্রুত দীর্ঘকবিতা রয়েছে। ময়ুখ চৌধুরীর কবিতাসংগ্রহের মধ্যেও বেশ কিছু দুর্দান্ত দীর্ঘ কবিতার সাক্ষাৎ পেয়েছি। মৃত্যুকে যদি পরাজয় ভাবা হয়, যদি মনে করা হয় আকাক্সক্ষার অপমৃত্যু কিংবা ভয়ংকর পতন তাহলে এক জীবনের মধ্যেই মানুষ অসংখ্যবার মারা যায়, তাকে সহ্য করতে হয় অনেক মৃত্যুর যন্ত্রণা অথচ তবু তাকে একটি জৈবিক প্রস্থানের জন্য প্রহর গুনতে হয়। জীবন যেন একটি মৃত্যুর জীবনীগ্রন্থ রচনার নির্মম পটভূমি; এমনই ভাবসূত্রে জীবনের মৃত্যুময়তাকে চিত্রিত করেছেন ‘মৃত্যুর জীবনীগ্রন্থ’―শীর্ষক কবিতায়, শেষ স্তবকটি তুলে ধরছি :
‘প্রতিটি ঘুড়ির সঙ্গে ছিঁড়ে যাচ্ছে বিধবার শাড়ি
প্রতিটি মার্বেল থেকে জন্ম নিচ্ছে বিষণ্ন কর্পূর
কলের গানের থেকে বেগুনি রশ্মির মতো ছুটে আসছে যুদ্ধের সাইরেন
আমি আর পারছি না, মুঠোর ভিতরে ধরে রাখা
ঘামে ভেজা লেবুপাতাগুলোর জন্য
ঘড়ির কাঁটা ভয়ানক ক্ষুধার্ত হয়ে উঠেছে কাগজের নৌকার ওপর
আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না
পৃথিবীর জরায়ু ছিঁড়ে বেরিয়ে আসছে লক্ষ লক্ষ
কোটি কোটি দাঁড়কাক অথবা আমি
যেহেতু, তুমি আমাকে মরতেও দিলে না।’
দুই
কবিতা কি প্রতিভানের (ওহঃঁরঃরড়হ) প্রকাশ, নাকি প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞানের ফল কিংবা সমকালের নৈর্ব্যক্তিক সমাচার। কবিতা আসলে এই সবকিছুরই সংমিশ্রণ। একেক কবিতায় একেকটি প্রবল আবার একেকজন কবি বা আলোচক তার প্রবণতা অনুযায়ী একটিকে বিশেষ করে আখ্যায়িত করেছেন এবং প্রকাশ করেছেন। অবশ্য বেনেদেত্তো ক্রোচে তার অবংঃযবঃরপধ (নন্দনতত্ত্ব) গ্রন্থে শিল্প বিশ্লেষণে প্রতিভানকেই সামনে রেখেছেন, তিনি বলেছেন―‘আমরা শিল্পকর্মকে প্রাতিভানিক জ্ঞানের উদাহরণ হিসেবে গণ্য করেছি এবং প্রাতিভানিক জ্ঞানের ধর্মকে শিল্পের ধর্ম বলে গ্রহণ করেছি। অতএব, শিল্পের ধর্ম হলো প্রাতিভানিক জ্ঞানের ধর্ম।’ তিনি প্রত্যক্ষবাদের চেয়ে ‘অপঃরারঃু ড়ভ ঃযব ংঢ়রৎরঃ’ তথা আধ্যাত্মকর্মকে শিল্প বিচারে অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন এবং আরও বলেছেন, ‘মানুষের আধ্যাত্ম সত্তাই শিল্পকে তার মূল্য ও মর্যাদা দান করে।’ আমরা ময়ুখ চৌধুরীর কবিতার মধ্যে দৃশ্যমান বিষয়ানুষঙ্গের বাইরে অনুভবের এমন আলাপ শুনতে পাই যা প্রত্যক্ষ নয় কিন্তু বিহ্বল করে, গভীর গোপনে শিস দিয়ে যায়। ‘অনন্ত ধুনরি’ কবিতা থেকে একটু তুলে ধরছি : ‘এ তল্লাটে কেউ আর/ অনন্ত নামের এই বুড়োটার বয়স জানে না।/ সারাদিন তুলো ধোনে শরতের মেঘের মতন/ হৃদয়তন্ত্রের মতো সারারাত ধুনখারার ধ্বনি।… কতোকাল থেকে জানি অনন্তের চোখে নেই ঘুম,/ অজস্র তারার চোখ ডাকে তাকে/ অন্তহীন ঘুমের প্রবাহে।’
ব্যক্তি ধুনারিরা কাজ করে বিশ্রাম নেয় কিন্তু মহাকালের যে অবিশ্রাম ধুনখারা চলছে কবির সে অনন্ত-অনুভব আমাদের তৃতীয় চোখ খুলে দিয়েছে।
জগতে একজনের আনন্দের সঙ্গে অন্যের বিষাদের বিরোধ ঘটে না। একদিকে বৃষ্টির বিষণ্ন ক্রন্দন তো অন্যদিকে ময়ূরের বর্ণিল বিচ্ছুরণ। একজন বইছে মৃত্যুসংবাদ আর অন্যজন দেখছে ফুলের প্লাবন। জীবনের এই বৈপরীত্যকে কবি অনুপম ভাষা দিয়েছেন ‘ময়ূর’-শীর্ষনামের কবিতায়: ‘নীলিমা কি জানে/ তার বিষণ্নতার সঙ্গে ময়ূরের কি সম্পর্ক ?/ কি সম্পর্ক ময়ূরের আনন্দের সঙ্গে বিষাদের ?/ আকাশ যখন ভারী মেঘে আচ্ছন্ন/ ময়ূর তখন পেখম মেলে আনন্দের ভাঁজ খুলতে থাকে।’
জীবনের একান্ত বিষয়াশয়, আনন্দ-বেদনাও কবিতায় দারুণভাবে ওঠে আসে, কবির নিজস্বতা তখন অন্য সকলের মর্মের ঘটনারূপে আখ্যা পায়। ‘জন্মরাতে’ কবিতায় কবির যে নিঃসঙ্গতা প্রতিফলিত তা যেন আমাদেরই ভাষাহীন বহু অপারগতা ও অখ্যাতিকে প্রকট করে জানান দিয়েছে।
“আজ এই বিদেশী অন্ধরাতে
আজ এই সমস্ত রাত্রিভর
আমি নিজেই, মোমবাতির শিখার মতো জ¦লতে থাকবো
দেখি, শেষ পর্যন্ত কোনো প্যাঁচা এসে বলে কিনা―
‘বাতিটা নেভাও’ আমি কষ্ট পাচ্ছি।”
ময়ুখ চৌধুরীর অনেক কবিতার মধ্যে স্মৃতিকাতরতা শামসুর রাহমানের ভাষায়―‘নিসর্গে মধুর মতো, ফুলের পাপড়ির মতো ঝরে’ পড়েছে। সেসব স্মৃতিকথা কখনও বেদনায় কখনও অনাবিল আনন্দে হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ‘মোহনার আগে’ কবিতা থেকে সামান্য পাঠ তুলে ধরছি : ‘আমাকে গ্রহণ করো/ ইস্কুল-পালিয়ে গিয়ে মিথ্যে জ¦রে ছুটি/ জলের পোশাকে স্নান, আদিম নুনের সরলতা।/ আমাকে গ্রহণ করো।/ হে শিকড়, ডালপালা, ঘাসলতাপাতা,/ আমাকে গ্রহণ করো/ আমাকে গ্রহণ করো―মৃত্তিকার শেষ নীরবতা।’
যে নান্দনিক অভিরূপে ময়ুখ চৌধুরীর কবিতায় জীবনের ভেতর-বাহির পরিস্ফুট হয়েছে, একইভাবে তাঁর কবিতার পাঠ-প্রসার ঘটেনি। অবশ্য এটা কবির কর্তব্যের আওতাধীন নয়। জগতে বহু কিছু এমন আছে যা চেনার জন্য লোকের বেশি সময় প্রয়োজন পড়ে। কর্মের গণ্ডির প্রতি আস্থাশীল এই কবি নিজেই যখন বলেন―‘আপাতত শিকড়ের কষ্টটুকু অনুবাদ করে যেতে দাও―’ তখন উৎকট-প্রচার কেন্দ্রিক আলাপের অবকাশ থাকে না। ময়ুখ চৌধুরীর ভাষিক উৎকর্ষ, স্বপ্নিল স্বরকল্প, শেকড়ের উত্তরাধিকার, প্রতিভান, সমকালীন প্রস্তাব এবং মনস্বিতা বাংলা কবিতায় তাঁর অবস্থানকে সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবে এটুকু জোর দিয়ে বলতে পারি। এ রচনায় বেশ কিছু উদ্ধৃতি প্রয়োগের মূল উদ্দেশ্য ছিল তাঁর কবিতার বৈচিত্র্য এবং বিশেষত্বকে দেখানো যেন এই হিরণ্য-আকরের সঙ্গে বৃহৎ পাঠকের আবেগের সাক্ষাৎ ঘটে। কেবল জনশ্রুতিই শিল্পকে তার অবস্থান নির্দেশ করে না, বরং তার বীক্ষণ ও নন্দন সৌকর্য যুগ যুগ ধরে শিল্পকর্মকে তাৎপর্যের আসন দিয়ে থাকে। উচ্চ শিল্পের (ঐরময অৎঃ) নিক্তি-পরিমাপনে যে তাঁর কবিতা উত্তীর্ণ-আস্বাদ রূপে বাংলার কাব্য পিয়াসুদের মজমায় সহসা সমাদৃত হবে সে লক্ষণ ও ইঙ্গিত অন্য কিছুতে নয় তাঁর কবিতাতেই পরিদৃশ্যমান। আবারও কবিতায় ফিরে আসি, যেহেতু কবিতা যে কোনও বিশ্লেষণের চেয়ে বেশি বলে এবং বহুমুখী ভাবনা উসকে দেয়। প্রথম যৌবনে প্রেমের আগুন-লাগা হৃদয়ের এক অনাস্থকাণ্ডের অপূর্ব বয়ান উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শেষ করছি রচনা :
‘তোমাকে দেখবো বলে একবার কী কাণ্ডটাই না করেছিলাম/ আগুন আগুন বলে চিৎকার করে/ সমস্ত পাড়াটাকে চমকে দিয়ে,/ তোলপাড় করে, সুখের গেরস্তালিতে ডুবে যাওয়া লোকজনদের বরশি-গাঁথা মাছের মতো/ বাইরে টেনে নিয়ে এলাম তুমিও এসে দাঁড়ালে রেলিঙে/ কোথায় আগুন ?/ আমাকে পাগল ভেবে যে যার নিজের ঘরে ফিরে গেলো/ একমাত্র তুমিই দেখতে পেলে,/ তোমার শিক্ষিত চোখে/ আমার বুকের পাড়ায় কী-জবর লেগেছে আগুন।’ (আগুন আগুন)
তথ্য-নির্দেশ :
১. ডান হাতের পাঁচটি আঙুল (কবিতা সংগ্রহ-১)/ ময়ুখ চৌধুরী
২. পঞ্চবটী বনে (কবিতা সংগ্রহ-২)/ ময়ুখ চৌধুরী
৩. ক্রোচের নন্দনতত্ত্ব/ অনুবাদ: সুধীকুমার নন্দী
৪. শিল্পবোধ ও শিল্পচৈতন্য/ সৈয়দ আলী আহসান
৫. সুন্দরের গাথা/ শামসুর রাহমান
লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক



