বইকথা

শহীদ কাদরী : নতুন করে

পাব বলে

হামীম কামরুল হক

 

মাত্র কদিন আগে, ২৮ আগস্ট ২০১৬ তারিখে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন শহীদ কাদরী; কিন্তু ফিরে এলেন নিজের দেশে, বাংলাদেশে এবং বাংলা কবিতায়। এই মৃত্যুর ভেতর দিয়ে তাঁকে হারানোর মাধ্যমে নতুন করে আমরা তাঁকে ফিরে পেলাম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ প্রবাসজীবন, শারীরিক অসুস্থতা এবং অতঃপর মৃত্যুর ভেতর দিয়ে নতুন করে জন্ম নিলেন তিনি- সেই নতুন জন্মকে নতুনভাবে উদ্যাপন করা হলো বাংলা একাডেমি থেকে ‘অভিবাদন শহীদ কাদরী’ বইটি প্রকাশের ভেতর দিয়ে। বইটি সম্পাদনা করেছেন শামসুজ্জামান খান।

এটি মূলত একটি স্মারকগ্রন্থ, কিন্তু আদতে স্মারকগ্রন্থের চেয়ে বেশি। বেশিরভাগ স্মারকগ্রন্থ ঢাউস আকারের হয়; কিন্তু সে-তুলনায় ততটা সমৃদ্ধ হয় না; কিন্তু এই মিতায়তন স্মারকগ্রন্থটি সবদিক থেকেই সমৃদ্ধ। চৌদ্দটি প্রবন্ধ, দুটি সাক্ষাৎকার, শহীদ কাদরীর দশটি কবিতা, ইংরেজিতে অনূদিত তাঁর চারটি কবিতা এবং তাঁকে নিবেদিত শামসুর রাহমানের কবিতা নিয়ে সমৃদ্ধ এ-গ্রন্থ।

প্রবন্ধ অংশে সূচিবদ্ধ হয়েছেন বেলাল চৌধুরী, অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত, আবদুল মান্নান সৈয়দ, সেলিনা হোসেন, মফিদুল হক, খোন্দকার আশরাফ হোসেন, কবীর সুমন, হাসান ফেরদৌস, ঝর্না রহমান, অনু হোসেন, পাপড়ি রহমান, অদিতি ফাল্গুনী, জুনান নাশিত এবং পিয়াস মজিদ। দুটি সাক্ষাৎকারের একটি হলো- গল্পকার জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের নেওয়া শহীদ কাদরীর সাক্ষাৎকার, অন্যটি পিয়াস মজিদের নেওয়া শহীদ কাদরীর স্ত্রী নীরা কাদরীর।

শহীদ কাদরীর যে-কবিতাগুলি নেওয়া হয়েছে, সেগুলি হলো : ‘বৃষ্টি, বৃষ্টি’, রাষ্ট্র মানেই লেফট রাইট লেফট’, ‘রবীন্দ্রনাথ’, ‘ব্ল্যাক আউটের পূর্ণিমা’, ‘তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা’, ‘হন্তারকের প্রতি’ ‘স্বপ্নে-দুঃস্বপ্নে একদিন’ ‘ কোনো নির্বাসনই কাম্য নয়’ এবং ‘নিসর্গের নুন’। চারটি অনূদিত কবিতার প্রথম দুটি ‘For You & Rain, Rain’ কায়সার হকের করা শহীদের ‘তুমি’ ও ‘বৃষ্টি, বৃষ্টি’ কবিতা দুটির অনুবাদ, তৃতীয়টি ‘I do not exsist Anymore’ মোহম্মাদ শফিকুল ইসলামের করা ‘কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর’ এবং চতুর্থটি ‘Greetings to you, my Beloved’ সাখাওয়াৎ হুসেনের করা ‘তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা’র অনুবাদ। আর শামসুর রাহমানের ‘হরতাল’ যেটি শহীদ কাদরীকে নিবেদিত কবিতা ছিল, তা দিয়েই সমাপ্ত হয়েছে এই ১৫১ পৃষ্ঠার স্মারকগ্রন্থটি।

ওপরের কথাগুলির মাধ্যমে এই বইটাতে কী কী আছে সেসবের একটা সংক্ষিপ্ত পরিচয় পাওয়া হলো, কিন্তু বইটি, শুরুতেই বলেছি, এরচেয়ে অধিক। এটি কেবল একজন কবির প্রতি মৃত্যুপরবর্তী শ্রদ্ধাঞ্জলি বা মূল্যায়ন নয়, এটি কবিতা, কবিকৃতি এবং তরুণ কবিদের জন্য নানান নির্দেশনায় পূর্ণ একটি বই। কেবল এটুকুও নয়, এটি জীবন সম্পর্কে একটি মুক্তদৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হওয়ার মতো বই। এই পুরো ব্যাপারটি ঘটেছে কবির নিজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের কারণে। কারণ শহীদ কাদরীর নিজে ছিলেন এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি জীবনকে সামগ্রিকভাবে দেখতে জানতেন।

আমরা সবাই জানি যে, তিনি মাত্র চারটি কবিতার বই প্রকাশ করে গেছেন : উত্তরাধিকার (১৯৬৭), তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা (১৯৭৪), কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই (১৯৭৮) এবং আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও। সবমিলিয়ে ১২৬টি কবিতা আছে এই চারটি বইতে। লক্ষ্য করি প্রথম তিনটি বই তিনি যথাক্রমে উৎসর্গ করেছেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে লগ্ন হয়ে থাকা তিনজনকে, প্রথমটি বড় ভাই শাহেদ কাদরীকে, পরের দিন প্রথম স্ত্রী নাজমুন্নেসা পিয়ারীকে, এবং পরেরটি পুত্র আদনান কাদরীকে। এবং শেষ বইটি তিনি উৎসর্গ করেছেন আমৃত্যু যে-স্ত্রী তার পাশে ছিলেন সেই নীরা কাদরীকে। বলাবাহুল্য, নীরা কাদরীর তত্ত্বাবধানেই কেটেছে তাঁর জীবনে শেষ একযুগের অধিক সময়। এসব কথা এজন্য বলতে হচ্ছে যে তিনি সর্বত্র একটি পরিমিতির পরিচয় রেখে গেছেন। আমরা তো জানি পরিমিতিই হলো শিল্পসৃষ্টির সবচেয়ে বড় দিকের একটি। স্মারকগ্রন্থটির ভূমিকায় শামসুজ্জামান খান উল্লেখ করেছেন,‘ এত অল্প লিখে এমন প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি বিস্ময়কর। বাংলা প্রবাদে যে বলে, ‘ভালোর অল্পও ভালো।’ শহীদ কাদরীর কবিতাও যেন তার এক চমৎকার উদাহরণ।’- এতে নতুন করে মনে হয়, ‘অল্পই শিল্প’। শিল্পে অমৃতের একটি ফোঁটাই যথেষ্ট। এই স্মারকগ্রন্থটির ক্ষেত্রেও সম্পাদকের বোধ করি এই বিবেচনা কাজ করেছে। যার ফলে, এতে যেকটি রচনা আছে, প্রায় প্রত্যেকটিতেই সারবস্তু আছে। ঢাউস স্মারকগ্রন্থের বিপুল অপ্রয়োজনীয় লেখার বদলে মিতায়তন এই স্মারকগ্রন্থটিতে প্রয়োজনীয় লেখাই বেশি।

বেলাল চৌধুরীর ‘আড্ডাবাজ এক কবি’ রচনাটিতে শহীদ কাদরীর জীবনযাপন, মেজাজ ও তাঁর কবি হিসেবে বেড়ে ওঠার বিষয়টি সুন্দর করে এসেছে। একেবারে গল্পবলার ভঙ্গিতে এই লেখাটি সহজেই পাঠক, যারা প্রথমবার শহীদ কাদরীর সঙ্গে পরিচিত হতে চলেছেন, তাদের টানবে, অবশ্যই টানবে তাদেরও যারা ইতিমধ্যে শহীদের কবিতার সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছেন।

অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের  ‘শহীদকে ঘরে ধরে রাখা যায় না’তে মূল বিষয় শহীদ কাদরী হলেও কবি, কবির গুরুত্ব, কবির মৃত্যু কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে তা আমরা দেখতে পাই। তিনি লিেেখছেন,‘… এলিয়ট এক জায়গায় যেমন বলেছিলেন যে, প্রত্যেক কবি, প্রত্যেক মানুষ থেকে বয়সে বিলম্বিত, অনেক বড়। প্রত্যেক কবির ক্ষেত্রে এই কথাটা বলা যায় যে, তাদের এই মৃত্যু আমাদের বিবেকের সম্বিতের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয় একটা ঘটনা।’ এই স্মারকগ্রন্থটি শহীদ কাদরীর মৃত্যুর পর অতি স্বল্পসময়ের ভেতরে প্রকাশিত হওয়ার ভেতর দিয়ে বোঝা যায়, কবির মৃত্যুর গুরুত্বটিকে।

আবদুল মান্নান সৈয়দের ‘শহীদ কাদরী’র কবিকৃতির ওপর সুন্দর একটি আলোচনা। মান্নান সৈয়দ নিজে একজন কবি বলে কবিতা ও কবিকে তিনি অপেক্ষাকৃত ভেতর থেকে জানেন। ফলে শহীদের কাব্যগ্রন্থগুলি ধরে ধরে এই আলোচনাটি এগিয়েছে। তাঁর মতে, ‘কাদরী-র কবিতা সেই প্রথম পরিণতি অর্জন করেছিল তাঁর প্রথম গ্রন্থেই।’ আরও লেখেন, ‘শহীদ কাদরীর কবিতা ভিতরে ভিতরে ঘুরে এসেছে একপাক, তাঁর তৃতীয় কবিতাগ্রন্থে একটি নতুন এবং নিজস্ব আয়তন বানিয়ে নিয়েছে। উত্তরাধিকার-এর কবির সঙ্গে এই কবির ইতোমধ্যেই একটি দূরত্ব রচিত হয়ে গেছে। মধ্যবর্তী তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়তমা, এখন মনে হচ্ছে, এক মধ্যবর্তী অলিন্দের মতোই। এই বইয়ে ( কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই) স্বচ্ছভাবে ধরা পড়েছে কাদরীর নবলব্ধ জীবনপ্রত্যক্ষ, বা আর-কখনো এরকমভাবে দেখা দ্যায়নি, প্রথম বইয়েও না, বোঝা যাচ্ছে কাদরীর বয়স বেড়েছে- মানসিক বয়স।’

সেলিনা হোসেনের ‘উজান পেরিয়ে ঘরে ফেরা’য় আছে শহীদ কাদরীর কবিতার সঙ্গে পরিচয় থেকে, নিজের লেখা উপন্যাস ‘আগস্টের একরাত’ বইতে শহীদের ‘হন্তারকদের প্রতি’ কবিতা ব্যবহার করার কথা, তাঁকে বইটি দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয়ের কথাবার্তার পাশাপাশি তাঁর কবিতার সূত্রে সাহিত্যের কথা, লেখকের কথা। যেমন সেলিনা লিখেছেন,‘…সৃজনশীল মানুষেরা কখনো দেশ-জাতি-সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হন না। লেখকের ধর্ম এটা নয়। লেখক তার জাতিসত্তার আইডেনটিটি নিয়ত পরিচর্যা করেন।’ যে কাজটি শহীদ প্রবাস জীবনে থেকেও করেছেন। সেলিনার কথার সত্যতা আমরা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র ক্ষেত্রেও দেখতে পাই।

মফিদুল হক ‘দেশভাগ ও উন্মূল শহীদ কাদরী’ রচনায় দেশভাগ সাম্প্রদায়িকতার করাল থাবার নিচে পড়া জীবন থেকে একজন শহীদর কাদরীর বেড়ে ওঠাকে দেখাতে গিয়ে ইতিহাস, রাজনীতি, অবশ্যই কাদরীর কবিতা ও সাহিত্যের নানান দিক স্পর্শ করেছেন।

‘পশ্চিমের জানালা : শহীদ কাদরী’ লেখাটিতে খোন্দকার আশরাফ হোসেন বিদেশি-বিভাষী কবিতার সঙ্গে শহীদ কাদরীর আত্তীকরণের বিষয়টি হাজির করেছেন। বিদেশির কবিতার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাব নিয়ে লেখা রফিক আজাদ ও শামসুর রাহমানের কবিতার প্রসঙ্গও তিনি টেনে এনেছেন এতে।

কবীর সুমনের ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড মানতে পারেননি শহীদ’ লেখায় এ-কবির সঙ্গে তার নিবিড় সখ্যের স্মৃৃতি যেমন আছে, তেমনি আছে রাজনীতিতে ক্ষতবিক্ষত হওয়া এক হৃদয়ের কথা। হাসান ফেরদৌস শহীদকে নিয়ে লেখাটিকে ‘শহীদ কাদরী : খণ্ডচিত্র’ নাম দিলেও একটি আগের ও পরের নানান লেখার সঙ্গে মিলে একটি পূর্ণচিত্রের দারুণ সম্পূরক একটি রচনা হয়ে উঠেছে।

ঝর্ণা রহমান ‘শহীদ কাদরীর কবিতায় শরীরী চিত্রকল্প’ লেখাটিতে কবির শরীরীচেতনার কবিতার চিত্রকল্প অন্বেষায় কবির এই স্বতন্ত্র শক্তিকে চিহ্নিত করতে প্রয়াসী হয়েছেন। এতে মূলত নারী ও মানুষের শরীর-বাসনাজাত দিকগুলির চিত্র বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।

অনু হোসেনের ‘অভিনবত্বের রূপকার শহীদ কাদরী’ লেখাটিতে খুব কম লিখে কী করে এবং কেন একজন কবি বিপুল পাঠকের মনে ঠাঁই নিতে পারেন, সেটি দেখিয়েছেন। বিষয়ের নতুনত্ব, উপস্থাপনার অভিনবত্ব যে একজন লেখকের কত বড় নিয়ামক হতে পারে, তিনি সেদিকে অঙুলিনির্দেশ করেছেন।

পাপড়ি রহমানের ‘কবিতার পুরোহিতের অনন্তযাত্রা’, জুনান নাশিতের ‘অন্তরঙ্গ ও মাধুর্যময় কবিব্যক্তিত্ব’ লেখা দুটো মূলত তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের জায়গা থেকে রচিত।

অদিতি ফাল্গুনীর ‘আলোকিত গণিকাবৃন্দে’র কবি’ লেখাটিতে শহীদর কাদরীর কবিতায় নগরের নির্বেদ, নেতি বা নৈরাশ্য যাকে তিনি ফরাসি ভাষায় ‘এন্যুই’ বলেছেন, সেটি দেখিয়েছেন। রাজনীতির আবর্তে পড়ে নাগরিকমানসিকতাসম্পন্ন কবির দশা-দুর্দশাগুলিকে একটু ভিন্ন দিক থেকে দেখিয়েছেন অদিতি।

পিয়াস মজিদের ‘নৃত্যসুন্দর কাদরীর কবিতা’ লেখাটি শহীদের ছোট্ট একটি কবিতা ‘অলীক’-এর তীব্রতা দিয়ে তাঁর কাব্যের সমগ্রতার দিকে পাঠককে চালিত করেছেন।

এই বইতে যে দুটো সাক্ষাৎকার আছে দুটোতেই শহীদ কাদরীকে ঘনিষ্ঠভাবে পাওয়া যায়। জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের নেওয়া সাক্ষাৎকারে তো এমন একটি পরিপূর্ণতা আছে যে, যেকোনো পাঠক এই সাক্ষাৎকারটি পাঠ করলে কবিতা, লেখক, সাহিত্যিকের অন্তস্থ সুদূরের দিকে রওনা দিতে পারবেন। আমি মনে করি কবিতার পাঠক, কবি ও কবি যশোপ্রার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাক্ষাৎকার। নীরা কাদরীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পিয়াস মজিদ। তাতে কবির ব্যক্তিগত অভ্যাস, চর্চা ও কবিকৃতির নানান দিক উঠে এসেছে।

এরপর বইতে থাকা দশটি কবিতা, চারটি অনূদিত কবিতা ও শামসুর রাহমানকৃত শহীদ কাদরীকে নিবেদিত কবিতাগুলি এই বইয়ের সমস্ত কথাবার্তাগুলোর তাৎপর্য বুঝতে পাঠকদের বিপুলভাবে সাহায্য করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁকে যে-কতটা নতুন করে আমরা পেতে পারি, সেই সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দিয়েছে এই গ্রন্থটি।

কবিতা, বাংলা ও বিশ্বের কবিতা, কবি-লেখকের দায়, সাহিত্যচর্চায় শৃঙ্খলা -বিশৃঙ্খলা, শুদ্ধাচারের ভূমিকা, কবি- জীবনের সংঘর্ষ-সংঘাত, প্রীতি-সম্প্রীতির বিচিত্র বিষয় এই স্মারকগ্রন্থ থেকে পেয়ে যাবেন যেকোনো নিবিষ্ট পাঠক। এমন একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের জন্য বাংলা একাডেমি-যে ধন্যবাদ পেতে পারে, তাতো বলাই বাহুল্য। বইটি শহীদ কাদরীর কবিতার মূল্যায়ন ও চর্চায় আগ্রহী লেখক-কবি-গবেষকদের বারবার কাজে দেবে- একথা আমরা ভরসার সঙ্গে বলতে পারি।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed

shares