পুরস্কার : স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ পেয়েছেন। সবার হাতে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২১’ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন―স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রয়াত আহসানউল্লাহ মাস্টার, প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবু, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এ কে এম বজলুর রহমান, প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ, সাহিত্যে কবি মহাদেব সাহা, সংস্কৃতিতে চলচ্চিত্রকার-গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও নাট্যজন আতাউর রহমান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ড. মৃন্ময় গুহ নিয়োগী, সমাজসেবা বা জনসেবায় পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবার পুরস্কার পাচ্ছে।  স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, ৩ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০২০

কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০২০ পেলেন সৃজনশীল চার তরুণ। অনলাইনে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাহিত্য শাখায় ‘১৯৭১ : বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শুধুই লাশ এবং’ গ্রন্থের জন্য ইজাজ আহমেদ মিলন, কথাসাহিত্যে ‘তিমিরযাত্রা’ গ্রন্থের জন্য মোজাফফর হোসেন, গবেষণায় ‘চলচ্চিত্রনামা’ গ্রন্থের জন্য মাসুদ পারভেজ ও শিশু-কিশোর সাহিত্যে ‘স্কুলে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল’ উপন্যাসের জন্য রণজিৎ সরকার এ পুরস্কার অর্জন করেন।  ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং প্রয়াত কালি  ও কলম সম্পাদক আবুল হাসনাতকে স্মরণ করে দুটি ভিডিওচিত্র দেখানো এবং কবিতা আবৃত্তির আয়োজন শুরু হয়। এরপর বিচারকমণ্ডলীর পক্ষ থেকে বিজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। আয়োজনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কথাসাহিত্যিক ওয়াসি আহমেদ এবং পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পবিত্র সরকার। আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন ত্রপা মজুমদার ও লুভা নাহিদ চৌধুরী।

গ্রন্থনা: রেজাউল হোসেন

নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা

নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার ৩০বছর পূর্তি

আগামী ১০,১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ২০২১-এর নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা। ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী’ ও ‘নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার ৩০তম বছর পূর্তি’ এবারের বইমেলার প্রধান বিষয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

গত ১৬ জুন ৩০তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার আহ্বায়ক ড. নূরুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বইমেলার ৩০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের বিষয় আলোচিত হয়। লেখক-প্রাবন্ধিক হাসান ফেরদৌসকে প্রধান করে ৬ সদস্যবিশিষ্ট অনুষ্ঠান কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আরও রয়েছেন ড. নূরুন নবী, ডা. জিয়াউদ্দীন আহমেদ, ফেরদৌস সাজেদীন, আহমাদ মাযহার ও আদনান সৈয়দ। এছাড়া ডা. জিয়াউদ্দীন আহমেদ, ড. নূরুন নবী, ফেরদৌস সাজেদীন, গোলাম ফারুক ভুঁইয়া, ড. জিনাত নবী, ডা. ফাতেমা আহমেদ ও তানভীর রাব্বানীকে সদস্য করে গঠিত হয়েছে ৭ সদস্যবিশিষ্ট অর্থ কমিটি।

একই সভায় গঠিত হয়েছে স্মারক-সংকলন প্রকাশনা কমিটিও। স্মারক-সংকলন সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করবেন কামরুন জিনিয়া। উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন ফেরদৌস সাজেদীন, আহমাদ মাযহার ও আদনান সৈয়দ। উল্লেখ্য, কোভিড ১৯ এর ফলে গত বছর ২০২০ সালে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ২৫টি প্রকাশনা সংস্থার অংশগ্রহণে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করে প্রথম ভার্চুয়াল বাংলা বইমেলার আয়োজন করে। এক বছর পর নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে চলেছে। এবছর প্রকাশকেরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সশরীরে বইমেলায় উপস্থিত হয়ে বই ক্রয় করতে পারবেন পাঠকেরাও। কার্যকরী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবছরও গত বছরের মতো পৃথিবীর সকল দেশ থেকে অনলাইনে বিশেষ হ্রাসকৃত মূল্যে বই ক্রয় করার সুযোগ থাকবে। বইমেলার নিয়মিত আপডেট জানতে https://www.nyboimela.org ভিজিট করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গ্রন্থনা : রেজাউল হোসেন

সূত্র : মুক্তধারা ফাউন্ডেশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares