পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর : স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : আশফাকউজ্জামান

প্রচ্ছদ রচনা : ৫০তম বিজয় দিবস ২০২০

‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ একটি অস্থায়ী বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র। একাত্তরের ২৬ মার্চ এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ স্বাধীনের পর কেন্দ্রটির নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার।’

চল্লিশের দশক থেকে এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে একটি স্বাধীন দেশের আকাক্সক্ষা তীব্র হতে থাকে। সাতচল্লিশে দেশ ভাগের মধ্য দিয়ে সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এ জনপদের মানুষের জীবনে স্বাধীনতার বদলে নেমে আসে অভিশাপ। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী এর সূচনা করে। তারপর একাত্তর পর্যন্ত শোষণ, হত্যা, নির্যাতন ও জেল-জুলুমের ইতিহাস।  

 এভাবেই একদিন আসে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গভীর রাত। নীরব নিস্তব্ধ চারদিক। এমন সময় হানাদার বাহিনীর এক ভয়ংকর আক্রমণে কেঁপে ওঠে আকাশ বাতাস। ঘুমন্ত শিশু, নববধূ, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার রক্তে ভিজে যায় বাংলার সবুজ প্রান্তর। সেটি ছিল পৃথিবীর এক নিষ্ঠুর গণহত্যার রাত।

গ্রেফতার করা হয় বাঙালির মাটি-মানুষের নেতা, শৃঙ্খল মুক্তির কাণ্ডারি, অগ্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকে। আফসান চৌধুরী বাংলাদেশের একজন অন্যতম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক। তিনি একবার বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন : বাংলাদেশের একজন মাত্র মানুষেরই স্বাধীনতা ষোষণার অধিকার আছে আর তিনি হলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাই সেদিন গ্রেফতারের পূর্বে বঙ্গবন্ধু তাঁর বুকের মধ্যে লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেন। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। সারা দেশে ইপিআরের ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে এ ঘোষণা ছড়িয়ে পড়ে।  বঙ্গবন্ধু তার ঘোষণায়  যেকোনো মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পর সবার একটাই ভাবনা যেকোনো মূল্যে স্বাধীনতা চাইই চাই। স্বাধীনতা ছাড়া কারও কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। তখন স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর কোটি বাঙালি। কিন্তু বুঝে উঠতে পারছে না কি করতে হবে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ইপিআর থেকে একেবারে অন্ধভাবে কিছু তরুণ মৃত্যুর ঝুঁকি নিচ্ছে।

ঠিক তখনই জন্ম নিয়েছিল ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র।’ এই বেতার কেন্দ্রই সেদিন এ দেশের মানুষকে যুদ্ধ জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যার রাত। নিরস্ত্র বাঙালি। তাদের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে পাক সামরিক জান্তা মৃত্যুর মিছিলকে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করছিল। ঠিক তখনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালি জাতিকে দিয়েছিল সর্বাত্মক যুদ্ধের নির্দেশনা।

২৫ মার্চ প্রায় রাতভর চলে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ। তারপর আসে ২৬ মার্চ ভোর। চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবন্ধুর ওই স্বাধীনতার ঘোষণা। অনেকে ঘোষণার লিফলেট হাতে পান। এটি ছিল একটি ইংরেজি সাইক্লোস্টাইল কপি। এর আনুবাদ করে কপি করা হয়। তখন দুপুর গড়িয়ে গেছে। বেলা প্রায় ২টা ১৫ মিনিট। সে সময় এম এ হান্নান ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা। তিনিই প্রথম চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ বাদামতলী বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ঐ বার্তা পাঠ করেন।

তারপর ২৬ ও ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আরও কয়েকজন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান, আবুল কাশেম সন্দ্বীপ ও মেজর জিয়াউর রহমানসহ আরও কয়েকজন।

এবার ডাক এসেছে দেশ স্বাধীনের। উদ্ব্দ্ধু করতে হবে জনতাকে। ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে যুদ্ধে। আর এ জন্য দরকার প্রচার মাধ্যম। এ সময় এগিয়ে আসেন বেলাল মোহাম্মদসহ চট্টগ্রাম বেতারের কয়েকজন কর্মী। তখন তাঁরা বেতার সম্প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রথমে চেষ্টা করেন আগ্রাবাদ বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার করতে। কিন্তু এখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি। সাধারণত মূল বেতারের একটি ইমার্জেন্সি সম্প্রচার কেন্দ্র থাকে। কালুরঘাট ছিল চট্টগ্রাম বেতারের ইমার্জেন্সি কেন্দ্র। তারা তখন কালুরঘাট চলে যান। নাম দেওয়া হয় ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র।’

২৬ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কালুরঘাটে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এখান থেকে সম্প্রচারের প্রথম বাক্যটি ছিল, ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি।’ কালুরঘাটে বেতারকেন্দ্রের শক্তি ছিল ১০ কিলোওয়াট। তখনও মুক্তি বাহিনী গঠিত হয়নি। এই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকেই মুক্তি বাহিনী গঠনের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এক বিস্ময়কর ভূমিকা রাখে। এক অর্থে এটি ছিল একটা যুদ্ধকালীন ফ্রন্ট। সে সময়ে চারদিকে হানাদার বাহিনীর হিংস্র আক্রমণ। জাতিকে সংগঠিত করা অত্যন্ত জরুরি। বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই মুহূর্তে দিশাহীন জনতাকে সংগঠিত করা হয়।

সে সময় তথ্যপ্রযুক্তি বলে প্রায় কিছুই ছিল না। কিন্তু পৃথিবী কি থেমে থাকে। এখানে ঘটতেই থাকে ঘটনা। তখন সময়টা ছিল এমন যে অনেক খবরই জানা যেত না। আবার জানতে পারলেও অনেক সময় চলে যেত। গ্রামাঞ্চলে পত্রিকা যেত প্রায় এক দিন পর। এমন একটি কঠিন সময় এ দেশের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। তারপরও সেদিন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কল্যাণে এ খবর দ্রুত দেশের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছিল। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা নির্লজ্জ মিথ্যাচার করত। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রই এর বিরুদ্ধে সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিল। এই কেন্দ্র থেকেই প্রথম বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার হয়। এ ঘোষণা প্রচারের পরই বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকাসহ পৃথিবীর বহু বেতার কেন্দ্র  এ সংবাদ প্রচার করেছিল।

 ২৭ মার্চ বিবিসির খবরে বলা হয়েছিল, ‘পূর্ব পাকিস্তানের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এক গুপ্ত বেতার থেকে জনসাধারণের কাছে প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন।’ ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়েছিল, ঢাকায় পাকিস্তান বাহিনী আক্রমণ শুরু করেছে। মুজিবর রহমান একটি বার্তা পাঠিয়ে বিশ্বের নিকট সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।’ দিল্লির দ্য স্টেটসম্যানের খবর ছিল, বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে, সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে রহমানের পদক্ষেপ। একটি গোপন বেতার থেকে প্রচারিত ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের পূর্বাংশকে স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে নতুন নামকরণ করেছেন।

 ‘এক গুপ্ত বেতার, ‘একটি গোপন বেতার’ বলতে সেদিন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রকেই বোঝানো হয়েছে। এ কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৭ মার্চ বিশ্বের অন্তত ২৫টি দেশের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হয়। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সেদিন দেশে বিদেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেকেই এ বেতার কেন্দ্রকে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সেক্টর বলে অভিহিত করেন।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্বাধীনতা সংগ্রামের পুরোটা সময় ধরে প্রতিরোধ আর প্রতিশোধের শক্তি জুগিয়েছে বাংলার নির্ভীক মুক্তিযোদ্ধাদের। ২৫ মার্চ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিলে এ কেন্দ্র। সর্বপ্রথম এই বেতারই পাকিস্তানি স্বৈরশাসককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল। এর কণ্ঠযোদ্ধারা প্রচণ্ডভাবে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইয়াহিয়ার দম্ভ। একই সাথে পৃথিবীকে আহ্বান জানিয়েছিল বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সমর্থন, স্বীকৃতি ও সহযোগিতা দিতে।

এ কেন্দ্র থেকে প্রচারিত গানগুলো ছিল এক অনন্য সম্পদ। এসব গানে ছিল হৃদয় কাড়া  সুর, সাহস ও যুদ্ধ জয়ের মন্ত্রণা। দেশমাতার  মুক্তির আকুতি। মুক্তিযোদ্ধা ও অবরুদ্ধ জনগণকে চেতনায় উদ্বুদ্ধ রেখেছিল এ গান। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান অনেক ক্ষেত্রে  মুক্তিযোদ্ধাদের অপারেশন সংকেত হিসেবে কাজ করত।  এ গানগুলো ছিল বুলেটের মতো। অস্ত্রের মতো। এসব গানের মাধ্যমে যোদ্ধারা অনেক কৌশলও নিতেন। কখনও কোনো একটা গানে শত্রুঘাঁটি আক্রমণ করতেন কখনও ব্রিজ উড়িয়ে দিতেন। ভয়ংকর যুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল প্রেরণার উৎস হিসাবে। এটি ছিল লড়াইয়ের একটি অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক ফ্রন্ট।

অবরুদ্ধ বাংলাদেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মানুষ এ কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনতেন। এসব অনুষ্ঠান তাদের মনে ভীষণ আশা জাগাত। এ কেন্দ্রের প্রথম পর্যায়ের প্রতিষ্ঠাকাল ছিল ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ দুপুর পর্যন্ত।

৩০ মার্চ দুপুরে পাকিস্তানি বোমারু বিমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে হামলা করে। আর এটিই ছিল বাংলার মাটিতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর  প্রথম বিমান হামলা। এ হামলায় কেউ নিহত হয়নি। তবে বেতার কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

বিভিন্ন এলাকা থেকে কর্মী, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে আসতেন। সবাই এখানে আসতেন মুক্তির আকাক্সক্ষায়। সীমাহীন প্রতিকূলতা বাধাবিপত্তি নিয়ে কাজ করতে হতো। তাই স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাসের একটা অনিবার্য অংশ।

মা, মাটি, মানুষের শেকল ছেঁড়ার গান। শত্রুর বিরুদ্ধে কঠিন উচ্চারণ। নাটক, কবিতা, চরমপত্র এসব উদ্যোগ শত্রুর মনোবল ভেঙে দেয়। প্রায় নিশ্চিত করে তাদের পরাজয়। সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে কত যে অনুষ্ঠান স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচার হয়েছে তার যেন শেষ নেই। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল―চরমপত্র―ব্যঙ্গ রচনা। অগ্নিশিখা-মুক্তি বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণামূলক অনুষ্ঠান। জাগরণী- উৎসাহ প্রদান। ইংরেজি ও বাংলা খবর। বিশ্বজনমত। ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রাম।

১০ মিনিটের উর্দু অনুষ্ঠান, বিশেষ কথিকা। বঙ্গবন্ধুর বাণী। জল্লাদের দরবার। ইয়াহিয়া ও তার দোসরদের নিয়ে ব্যঙ্গ নাটিকা। দৃষ্টিপাত―বিশেষ পর্যালোচনামূলক অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মঞ্চ। কাঠগড়ায় আসামি। পিন্ডির প্রলাপ। রণাঙ্গনের চিঠি। মুক্ত অঞ্চল ঘুরে এলাম। শিশুদের জন্য অনুষ্ঠান―ওরা রক্ত বীজ। সোনার বাংলা ―পল্লীর শ্রোতাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রতিধ্বনি―আরও অনেক অনুষ্ঠান ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের।

অনেকে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’কে মহান মুক্তিযুদ্ধের ১২তম ফ্রন্টও বলেছেন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিকিল্পিতভাবে পরিচালনার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এই ১১টি সেক্টরে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তাঁরা সমন্বিতভাবে সারা দেশে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। আর ১২তম সেক্টর হিসেবে নিরলস কাজ করে গেছে ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রায় নয় মাস ধরে যুদ্ধ জয়ের স্বপ্ন দেখেয়ে ছিল এই বেতার কেন্দ্র।

 পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ভূমিকা অমর হয়ে থাকবে। মানবসভ্যতায় আর কোনো বেতার কেন্দ্র এত বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হয় না। পৃথিবীর ইতিহাসে  এ কেন্দ্রের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আর কোনো বেতার কেন্দ্র এত বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানা নেই। স্বাধীন বাংলা বেতারের প্রথম পর্ব ছিল কালুরঘাট, দ্বিতীয় পর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে জঙ্গলে। তৃতীয় পর্ব-২৫ মে কলকাতায়। মুক্তিযুদ্ধ শেষে এটি বাংলাদেশ বেতার নামে চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed

shares