নিরর্থক বোঝাপড়া : ধ্রুব এষ

‘স র্ব না শ !

আপনি এখনও বেঁচে

আছেন, প্রিয় ভাই?

এখনও? এতদিন?

কেমনে?

আর, আমিÑ

বেঁচে আছি?

এতদিন? এখনও?’

আসমারের মেসেজ। আবু রসুল পড়ে হাসল। আসমার জানে সে আনডেড। সে জানে আসমার আনডেড। জোম্বি না, তারা আনডেড। আনডেডের বাংলা কী? জীবস্মৃত বলা চলতে পারে। কিন্তু সেটা মোক্ষম শব্দার্থ হয় না। আচ্ছা, আনডেডের বাংলা আনডেড। আবু রসুল এবং আসমার আনডেড সম্প্রদায়ের। সম্প্রদায় মানে সঙ্গে আরও কয়েকজন। বিপাকে আছে তারা এই দুনিয়াদারিতে। দুর্বিপাকে বর্তমান পরিস্থিতিতে। আফসোস এসব থেকে তারা নিজেদের উইথড্র করতে পারছে না।

আসমারের মেসেজটা পড়ে মৌমিকে ফরোয়ার্ড করে দিল আবু রসুল। বাচ্চা এক ঝাঁসি কি রানি মৌমি। রিপ্লাই দিল।

‘স র্ব না শ !

আসমার ওসমান! উনিও

বেঁচে আছেন!? বিরাট ব্যাপার!

তুমি কেমন আছো দাদা

সাহেব?’

আবু রসুল রিপ্লাই হিসাবে একটা দুঃখি বিড়াল ছানার ইমো পাঠাল মৌমিকে।

ঝাঁসি কি রানি আর রিপ্লাই দিল না। সাংবাদিক মানুষ। অ্যাসাইনমেন্টে থাকে এই সময়। আনডেড সম্প্রদায় সম্পর্কে তার যথেষ্ট সহযোগিতামূলক মনোভাব আছে। কেন নয়, সেও আনডেড। মৌমিকে কখনও কখনও লীলাবতী লীলাবতী লাগে আবু রসুলের। লীলাবতী এক আনডেডের মা।

মুস্তফা আনডেডের স্মার্ট ফোন নাই। ছিল। ছেলে স্কুলে পড়ে এবং এখন অনলাইনে তাদের ক্লাস হয়। মুস্তফার আর্থিক সামর্থ্য নাই ছেলেকে আরেকটা স্মার্ট ফোন কিনে দেয়। এই যে পোলাপানের ইসকুল কলেজ সব মোবাইল ফোনে ঢুকে পড়েছে এ নিয়ে যথেষ্টই বিরক্ত মুস্তফা। মাঝখান থেকে আনতারা বিবির সঙ্গে তার মধুর মধুর চ্যাট বন্ধ হয়ে গেছে। জঘন্য!

মুস্তফাকে কল দিল আবু রসুল।

কল যাচ্ছে।

মুস্তফা ধরল।

আবু রসুল বলল, ‘কী রে জোম্বি-শিয়াল?’

৩৬৬ কিলোমিটার দূরের এক মফস্সল টাউন থেকে মুস্তফা বলল, ‘জোম্বি বলে অপমান করিস না, কাকা। তুই আনডেড, মুই আনডেড। সো মুই শিয়াল হইলে তুইও শিয়াল। টাউনের খবর শোন এবেলা। কুণ্ডু ব্রাদার্সের ঝিমলি এই করোনার মধ্যে ছাত্রনেতা বদরুলের লগে পলাইছে। খোকন মাস্টারের বউ আবার পোয়াতিÑ। ’

‘আবার! এর কি কোনও বিচার বিবেচনা নাই? তিনটা বাচ্চা নিছে, তাতে হয় নাই?’

‘করোনায় ঘরে বসে আছে তো। বিনোদনের ফসল। এছাড়া আগের তিনটাই মেয়ে যে।’

‘ছি! সে কী চায়? আরেকটা ছেলে? মেয়েরা গয়া-কাশি গিয়ে তার পিণ্ডি দিতে পারবে না? ছি! ফিলিয়াস ফগের যুগে জন্মালে এ তো সতীদাহ প্রথা মানতো! এইবারও একটা মেয়ে হোক শালার! কী করে দেখি! তোর কী অবস্থা বল? তুই কি সহি সালামতে আছিস?’

‘সহিতে আমি সব সময়ই থাকি কাকা। সালামতের কথা বলতে পারব না, সালমার কথা বলি।’

‘সালমা? কোন সালমা রে?’

‘আর কোন সালমা রে কাকা। আমাদের পাড়ার আদব মিয়ার মেয়ে। মার্কামারা সালমা।’

‘অ, তোর শিক্ষাগুরু। কী হইছে?’

‘আরে ব্যাটা, বিকালে আমারে পাইছে রাস্তায়। মুটকির মুটকি! বয়স হইছে তিপ্পান্ন, বিগলিত একটা হাসি দিয়া বলে কী শোন, তোরে একটা সাট্টিফিকেট নিয়া দেইরে মুস্তফা। বয়স্ক ভাতার সাট্টিফিকেট বুঝছসতো? চিন্তা কর! আমি বললাম তাতে তোর লাভ কী? বলে প্রথমবার ভাতা পাইলে তুই একটা পার্সেন্টিজ দিবি আমারে। চিন্তা কর! আমি বললাম বয়স্ক ভাতা মানুষের বয়স কত হইলে দেয় সরকার? বলে বাষট্টি। আমি বললাম, তোর আর আমার জন্ম তো এক বছরে। তোর বয়স কি বাষট্টি হইছে? বলে, অ তাইলে তো আর হইল না। বলে বিদায় নিল। চিন্তা কর!’

‘এটারনাল হিস্ট্রি অব সিভিলাইজেশন। দি এন্ড। কাট।’

বলে ফোনের লাইন কেটে দিল এবং মুস্তফার কথা মতো চিন্তায় থান নিল আবু রসুল। কত চিন্তা। তাহলে সে এখন একজন চিন্তাবিদ। কী চিন্তা বুদবুদ কাটল তার মাথায়? করোনা, ব্ল্যাকহোল, ড্রয়ারের কনডম? করোনা প্রতারক সাহেদ কিংবা ডা. সাবরিনা? মফসসলের এক ছাত্র নেতার দুই হাজার কোটি টাকা পাচার কিংবা রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের সাড়ে বাইশ হাজার টাকা দামের বালিশ?

না, এসব কিছুই না। তবে? তবে পুষ্প। গাছের ফুল না। বয়সকালে বিয়ে করেছিল সেও। তার প্রাক্তন বউ পুষ্প। তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। সেটা পারেনি মুস্তফার প্রথম এবং দ্বিতীয় বউ, নাসিমা এবং জাকিয়াও। অনাদির একমাত্র বউ মিত্রাও পারেনি। পালাক্রমে মুস্তফা এবং অনাদিকে ছেড়ে চলে গেছে তারা। অনাদি নিঃসন্তান। মুস্তফা তার একমাত্র উত্তরাধিকারকে রেখে দিয়েছে। তার আর নাসিমার ছেলে। মুস্তফা নিয়মিত মদ খায়, মাতাল হয় এবং ছেলের দেখাশোনা করে। ছেলে এখন যদিও থাকে হোস্টেলে। আনডেড না হলে মুস্তফা এতদিনে মরত। এই বিবেচনায় অনাদির মতোই দায়মুক্ত বলা যেতে পারে আবু রসুলকে। তার আর পুষ্পর কোনও ছেলেমেয়ে হয়নি। পুষ্প এখন পিপুল হাসানের বউ। ফুলের জামাই গাছ। দারুণ একটা ব্যাপার হয়েছে এটা। পুষ্প এবং পিপুলের যদি বাচ্চাকাচ্চা হয় তারা কি ফলের নামে তাদের বাচ্চার নাম রাখবে? ডালিম, আনার, আঙুর, লটকন?

অনাদি কল দিল। শান্ত সভ্য মানুষ অনাদি। কলেজের অধ্যাপক। পার্টটাইম আনডেড। কিছুদিন ধরে সামান্য স্কান্ডালাস। নানাবিধ গুঞ্জন টাউনে। গার্লস স্কুল রোডে অনাদিদের চারতলা বাসা। করোনার আগে তিনতলায় এক শিক্ষয়িত্রী তার দুই বাচ্চা এবং স্বামীকে নিয়ে উঠেছেন। স্বামী ভদ্রলোক উপজেলা মৎস্য অফিসার। সপ্তাহের পাঁচ দিন থাকেন কর্ম এলাকায়। শিক্ষয়িত্রীর সঙ্গে এই চার-ছয় মাসে কিছু বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয়েছে অনাদির। এ নিয়ে ব্যাপক ফিসফাস টাউনে। তৎপর টাউনের পাপারাজ্জিরাও। ক্যামেরাঅলা মোবাইল ফোন হাতে যে কোনো মানুষই পাপারাজ্জি এখন। বন্ধুদের মধ্যে অনাদির নিকটতম প্রতিবেশি রাজিব। তার কাছে ভিডিও ডকুমেন্ট আছে, বলেছে সে। ভিডিও ডকুমেন্ট! অনাদি এত দূর? তা না। নির্দোষ ডকুমেন্ট। রূপবতী শিক্ষয়িত্রী তার দুই বাচ্চা নিয়ে অনাদির সঙ্গে ছাদে হাঁটছে।

বাজে খবর দিল  অনাদি। কাওসারের করোনা পজেটিভ। রামপুরার উলন রোডে সস্ত্রীক থাকে কাওসার। আইসোলেশনে আছে চার দিন ধরে। কাওসারকে কল দিল না, টেক্সট মেসেজ দিয়ে রাখল আবু রসুল, ‘ও চাচা!’

কিছু পর রিপ্লাই দিল কাওসার।

‘কোভিড-১৯ টেস্ট রেজাল্ট

পজিটিভ।

প্রে ফর মি। নাউ হোম

আইসোলেশন।’

আবু রসুল রিপ্লাই দিল, ‘আচ্ছা।’

কাওসারও রিপ্লাই দিল, ‘আচ্ছা।’

আচ্ছা।

এশার আজান হলো মসজিদে। আবু রসুল এক মগ কফি বানাল। টিভি খুলল। আজ ৩৮ জন মরেছে করোনায়। বোঝা যাচ্ছে না কিছু। করোনার কিছু। কী হচ্ছে? কারা?

কোভিড-১৯ প্রকৃতিজাত না কখনই। যে কোনো আনডেডের মতো মনে করে আবু রসুলও। কারা এটা করছে? এই পৃথিবীর কোন মায়ের পুতেরা? তারা কী চায়? আধিপত্য? কলোনি? এই নিশ্চয়তা কে তাদেরকে দিচ্ছে যে ক্ষুদিরামের মা আর কখনও পৃথিবীতে জন্ম নেবেন না? করোনার আফটার ইফেক্টের মধ্যে আমরা এখনও পড়িনি। অঘোষিতভাবে সারা পৃথিবী ৪ মাস লকডাউনের আফটার ইফেক্ট। করোনাই বলে এখনও যায় নি। আচ্ছা, এন্টার্কটিকায় কী কারোর করোনা হয়েছে? উত্তরের নানুকের মতো আর কোনও নানুকের? দূর! এসব কী ভাবছে সে? তারা আনডেড। অতএব হও আনডেড। থাকো আনডেড। করোনার এমন আজব দিন কাটাও। ট্রোল সাহেদ, ট্রোল ডা. সাবরিনা, ট্রোল এভরিথিং। স্টে ভার্চুয়াল। এবং দেখ। শুধু দেখে যাও। মনে রাখতে পারো, নাও পারো। দেখার ঢের বাকি এখনও। দুর!

মসজিদের মাইক বেজে উঠল হঠাৎ।

একটি শোক সংবাদ! একটি শোক সংবাদ…!

কে মারা গেছেন? ৮ বছর ধরে এই মহল্লায় ভাড়াটে হয়ে আছে আবু রসুল। বাড়িঅলা ভাই এবং মহল্লার মুদি দোকানদার কাজল মিয়া, এই দুজন ছাড়া মহল্লার আর কারও সঙ্গে তার জানাশোনা হয়নি।

দুই বার শোক সংবাদ শুনে, বাড়িঅলা ভাই এবং কাজল মিয়া দুজনের কেউ মরেন নি নিশ্চিত হলো আবু রসুল। কফি শেষ। সিগারেট ধরাল। এই আরেক প্যারাডক্স। সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ঃ ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

ফোন বাজল। আবার অনাদি।

‘মকবুল হোসেন স্যারের ছেলেটা মারা গেছে রে।’

‘অ।’

দুঃসংবাদ দাতা অনাদি। শিক্ষয়িত্রীর সঙ্গে আজ ছাদে হাঁটেনি? বহুকাল আগের একটা ছবি আছে। ফরিদ পোস্ট দিয়েছে কিছুদিন আগে। টাউনের শহিদ মিনারে তারা। ভাষা শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান। স্বরচিত কবিতা পাঠ করছে কাওসার। পেছনে মিনারের বেদির সিঁড়িতে বসে আছেÑ মুস্তফা, অনাদি, ফরিদ, তুষার, খোকন মাস্টার এবং সে আবু রসুল। কবি ছিল কাওসার এবং অনাদি। নাটক করত ফরিদ, তুষার, খোকন। আবু রসুল এসব কিছুই করত না। পারত না। তবে একটা কবিতা, কালো রঙের কবি ল্যাংস্টন হিউজের ‘কমরেড লেনিন অভ রাশা’, সম্পূর্ণ মুখস্থ করেছিল সে। আনডেড তখনও হয়নি। কেন? কিছু রাজনীতি-মনস্ক ছিল তখন সে।

সংবাদ বিরতি শেষ হয়ে গেছে। এখন মূল অনুষ্ঠান প্রচারিত হচ্ছে। বিজ্ঞাপন অনুষ্ঠান। মোবাইল ফোন, হ্যান্ডওয়াশ, মিনি প্যাক শ্যাম্পু, রড-সিমেন্ট, সফট ড্রিংকস এবং খাঁটি সরিষার তেলের বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। করোনার এই কঠিন সময়েও তাদের মাথার মেধা দেহের শ্রম বিনিয়োগ করে চলেছেন দেশের বিজ্ঞাপনগুরুরা। পেশাগত সততা। জনস্বার্থে কোভিড-১৯ বিষয়ক সচেতনতা এবং উথালি-পাথালি দেশপ্রেম নিয়ে তারা নিরলস বিজ্ঞাপন বানিয়ে চলেছেন। সাধুবাদ দিতে হয়। বিজ্ঞাপন দিয়ে আমরা অন্তত করোনা মোকাবেলা করতে পারছি। বিজ্ঞাপন জানাচ্ছে সব সম্ভব হবে। বিজ্ঞাপন জানাচ্ছে আমরা ভালো আছি।

কলবেল। আবু রসুল বিস্মিত হয়ে উঠল। এই সময় কে? দরজা খুলে দেখল। বলল, ‘তুই!’

মুস্তফা হাসল কি না বোঝা গেল না। মাস্ক পরে আছে। গরু-মাস্ক। কিছু মাস্ক আছে কুকুর মাস্ক, কিছু মাস্ক আছে গাধা মাস্ক। পড়লে গরু কুকুর গাধার মতো দেখায়। মুস্তফাকে গরু দেখাচ্ছে। চশমা পরা গরু।

আবু রসুল বলল, ‘তুই ঢাকা!’

মুস্তফা বলল, ‘না রে কাকা, আমি টাউন। শোন একটা ঘটনা ঘটছে। সন্ধ্যায় প্রভারানির ঘরে ঢুকছিলাম, প্রভারানির বোবা জামাইটা বটি নিয়া ধাওয়া দিছে আমারে। বোবার রোখ! বুঝোস তো ব্যাটা? আমারে খুন না করে ছাড়ব না শালা! মাস্ক পরে না কিছু করে না, করোনাও ধরে না শালা বোবারে!’

আবু রসুল বলল, ‘তবে তুই এখন মড়ার টিলা রোডে?’

‘না রে কাকা। বাবুলাল কলোনি পার হইছি মাত্র। বাবুলাল কলোনির কেউরেও করোনায় ধরে নাই।’

শান্তশিষ্ট বাবুলাল কলোনির মানুষরা, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী তাদেরকে হরিজন বলেছিলেন। যেমন আমরা এখন যৌনকর্মী বলি। বাবুলাল কলোনির মানুষেরা চোলাই খায়। চোলাই কি করোনার প্রতিষেধক? কত বিলিয়ন মাস্ক এই কয় মাসে বিক্রি হয়েছে পৃথিবীতে? দুর!

আবু রসুল বলল, ‘প্রভারানি টাকা নেয় নাই?’

মুস্তফা বলল ‘নিছে না ব্যাটা! দুইশ টাকা! একশ টাকার কড়কড়া নতুন নোট দুইটা। আমার তো এখন মনে হইতেছে হারামজাদিই উসকানি দিছে বোবারে। আমারে পছন্দ না হারামজাদির, বুড়া মনে করে।’

‘তুই বুড়া না?’

মুস্তফা বলল, ‘বাষট্টি বছর বয়সের আগে মানুষ সরকারিভাবে বুড়া হয় না রে কাকা।’

‘প্রভারানি কি এই কথা জানে?’

‘সালমা জানে।’

‘তুই পলা। মুটকি সালমার পেটে ঢুকে যা।’

প্রজেকশন শেষ। আবু রসুল আর মুস্তফাকে দেখল না। দরজা লক করল। তারা আনডেড। আনডেড রুল ওয়ানÑ যে কোনও পরিস্থিতিতেÑ।

ঘরে একা আবু রসুল। সেলফি তুলল একটা। অ্যাকোয়া মুড। নীল রঙের সেলফি। তুলে আবার ডিলিট করে দিল। এবং আবার আসমারের মেসেজটা পড়ল।

‘স র্ব না শ !

আপনি এখনও বেঁচে

আছেন, প্রিয় ভাই?

এখনও? এতদিন?

কেমনে?

আর, আমিÑ

বেঁচে আছি?

এতদিন? এখনও?’

এতক্ষনে এখন, আনডেড আবু রসুল রিপ্লাই দিল আসমারের মেসেজের,

‘সাড়ে ৭০০ কোটি

বছর আগে ভূমিষ্ঠ (!)

একটা ইন্টারমিডিয়েট

মাস ব্ল্যাক হোলের

সন্ধান পাওয়া গেছে, প্রিয়

ভাই। বিগ ব্যাঙের পর

এত বড় বিস্ফোরনের ঘটনা

ঘটে নাই আর

আনডেডদের জন্য

পৃথিবীর একটা ব্যাক

আপ তাহলে আছে

মনে করেন?’

সচিত্রকরণ : শতাব্দী জাহিদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

shares