প্রবন্ধ : বাংলাদেশে যাত্রা : উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ : পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য্য

প্রবন্ধ

বাংলাদেশে যাত্রা : উৎপত্তি ক্রমবিকাশ

পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য্য

বাঙালি লোকসংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ এবং আঙ্গিক হলো ‘যাত্রা’। তাই ‘যাত্রা’য় মা, মাটি ও সমাজবদ্ধ মানুষের গন্ধ প্রবলভাবে ফুটে ওঠে। সংস্কৃতির এই উল্লেখযোগ্য মাধ্যমটির সাথে ‘পালা’ ও ‘গান’ শব্দ দুটো ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এক্ষেত্রে পালা হলো গীত বা নাটকের নাম। আবার গান শব্দটিতে যুক্ত করার মাধ্যমে ‘যাত্রা’য় অনেক প্রশ্নের উওর মেলে। বাংলাদেশে যাত্রার উন্মেষকাল, পাশাপাশি ক্রমবিকাশ তুলে ধরা, স¦ল্প পরিসরে এই লেখার মাধ্যমে চেষ্টা করা হলো।

বাঙালির অতি প্রাচীন লোকসংস্কৃতি হলো ‘যাত্রা’। এই উপমহাদেশে ‘যাত্রা’র উদ্ভব হয়েছে অতি প্রাচীনকালে। নির্ধারিত পালা রচনা ও মঞ্চায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঢাকায় ‘যাত্রা’র উদ্বোধন হয় ১৮৬০ সালে। আমাদের গ্রাম বাংলায় ‘যাত্রা’ অন্যতম বিনোদনের মাধ্যম। শহুরে জীবনে ‘যাত্রা’র চেয়ে থিয়েটার চর্চা বেশি হতে দেখা যায়। যাত্রা সামাজিক বিনোদন, জ্ঞান অর্জন, শিক্ষণ, মনন ও প্রভাব বিস্তারে এক গ্রহণীয় মাধ্যম। ‘যাত্রা’র পৌরাণিক পালার পাশাপাশি সামাজিক, ঐতিহাসিক ও লোককাহিনি ভিত্তিক পালা রয়েছে। ঊনবিংশ শতকে যাত্রা ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার জন্য এক বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। এ প্রসঙ্গে একটি প্রাসঙ্গিক উদাহরণ :

‘১৮৬০ সালে ঢাকায় কৃষ্ণকমল গোস্বামী (১৮১১-১৮৮৮) কৃষ্ণবিষয়ক ঢপ কীর্তন পরিবেশনের পাশাপাশি পৌরাণিক পালা রচনা ও মঞ্চায়নের মাধ্যমে যাত্রার যে গতিসঞ্চার করেন, চারণকবি বরিশালের মুকুন্দ দাসের (১৮৮৭-১৯৩৪) হাতে তা হয়ে ওঠে ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের জাগরণী মন্ত্র।’

[তপন বাগচী : বাংলাদেশের যাত্রাগান জনমাধ্যম ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত, পৃ. ১।]   

অভিনয় হলো একটি জীবন্ত ক্রিয়াশীল মাধ্যম। এই ক্রিয়াশীল মাধ্যমকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে আলো-শব্দ-সাজসজ্জার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তবে অভিনয় মাধ্যমটিকে ফুটিয়ে তোলার জন্য সবার আগে দরকার কাজটির প্রতি আন্তরিকতা। অভিনয়ের মাধ্যমগুলোর মধ্যে আবার প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন :

‘১. পৌরাণিক নাটক, ২. ঐতিহাসিক নাটক ও ৩. সামাজিক নাটক। এ ছাড়া আছে রূপক বা সাঙ্কেতিক নাটক, গীতনাট্য, নৃত্যনাট্য, চরিত নাটক বা জীবনী নাটক ইত্যাদি। রসের দিক থেকে নাটককে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন : ১. নাটক ও ২. প্রহসন। প্রহসনকে আবার : ক. সমাজ সংস্কারমূলক, খ. হাস্যরসপ্রধান বিদ্রুপাত্মক, গ. বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা যায়। অভিনয়ের দিক থেকে : ১. নাটক ও ২. যাত্রা- এই দুই ভাগে নাটক বিভক্ত। আকারের দিক থেকে নাটকের বিভাগ দুটি : ১. নাটক ও ২. নাটিকা বা একাঙ্কিকা। ইংরেজি আর্দশের পরিপ্রেক্ষিতে নাটককে রসের দিক থেকে : ১. ট্র্যাজেডি, ২. কমেডি, ৩. মেলোড্রামা, ৪. ট্র্যাজি-কমেডি ও ৫. ফার্স- এই পাঁচভাগে ভাগ করা হয়। ভাবের দিক থেকে নাটক : ১. ক্লাসিক্যাল, ২. নিও ক্লাসিক্যাল ও ৩. রোমান্টিক ধরনের হয়ে থাকে।’

[মাহবুবুল আলম : বাংলাদেশের সাহিত্য,

পৃ. ৫৩৪।]

আমাদের সংস্কৃতিতে যাত্রাগানের উদ্ভবকাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে বাঙালির অভিনয়ে প্রবেশ নাটকের আগে যাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়। এ ব্যাপারে কারও কোনো দ্বিমত নেই। বিশ্বকোষ প্রণেতা নগেন্দ্রনাথ বসু (১৮৬৬-১৯৩৮) যাত্রার উৎপত্তি অতি প্রাচীনকালে হয়েছে বলে মনে করেন। তাঁর মতে :

‘অতি প্রাচীনকাল হইতে ভারতবর্ষের সকল স্থানেই প্রকাশ্য রঙ্গভূমে বেশভূষায় ভূষিত ও নানা সাজে সুসজ্জিত নরনারী লইয়া গীতবাদ্যদি সহকারে কৃষ্ণপ্রসঙ্গ অভিনয় করিবার রীতি প্রচলিত। পুরাণাদি শাস্ত্রগ্রন্থে বর্ণিত ভগবদবতারের লীলা ও চরিত্র ব্যাখ্যান করা এই অভিনয়ের উদ্দেশ্য। ধর্মপ্রাণ হিন্দুগণ সেই দেবচরিত্রের অলৌকিক ঘটনা পরম্পরা স্মরণ রাখিবার জন্য এক একটি উৎসবের অনুষ্ঠান করিয়া থাকেন। গীতবাদ্যাদি- যোগে ঐ সকল লীলোৎসব-প্রসঙ্গে যে অভিনয়ক্রম প্রদর্শিত হইয়া থাকে, তাহাই প্রকৃত যাত্রা বলিয়া অভিহিত।’

[তপন বাগচী : বাংলাদেশের যাত্রাগান জনমাধ্যম ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত, পৃ. ১০।]

ফোকলোরবিদ আশ্রাফ সিদ্দিকী দ্বাদশ শতাব্দীতে ‘যাত্রা’র নিদর্শন খুঁজে পান। তাঁর মতে :

‘কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ এবং পরবর্তীকালে শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তনের মধ্যেই যাত্রার নিদর্শনটি পাওয়া যাবে।’

[পূর্বোক্ত পৃ. ১১।]

পালা বা যাত্রাগান বাঙালি লোকসংস্কৃতির এক প্রাচীন অনুষঙ্গ। আবার কোন ক্ষেত্রে কোনটি লীলানাট্য বা কোনটি যাত্রা- এগুলো নিয়ে মতভেদ রয়েছে। যেমন :

অনেকে লীলানাট্যকে মনে করেন ‘কৃষ্ণ প্রসঙ্গ’ আবার কেউ এ প্রসঙ্গটিকে যাত্রা মনে করেন। বাঙালি সমাজকে পালা বা যাত্রাগান সবসময় করেছে উজ্জীবিত। প্রাণের কবি নজরুলের আখ্যায়িকা মূলক নাটক ও পালাজাতীয় রচনাগুলোও এক জ¦লন্ত উদাহরণ। সেগুলো- ‘চাষার সং, মেঘনাদ-বধ, শকুনি-বধ, দাতা কর্ণ, রাজপুত্র, আকবর বাদশা।’

[রফিকুল ইসলাম : কাজী নজরুল ইসলাম জীবন ও সৃজন, পৃ. ১৩।]

বাংলাদেশে যাত্রার ক্রমবিকাশে শ্রীচৈতন্যের অবদান অপরিসীম। এক সময় ঢাকা ছিল যাত্রার জন্য বিখ্যাত। যাত্রাকে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে যাত্রাপালা তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে ‘পেশাদার যাত্রাদল’। শৌখিনভাবে যাত্রা মঞ্চস্থ খুব বেশি হয়নি।        

উশিন শতকের শেষাশেষি মঞ্চে আবির্ভূত বিশ শতকজুড়ে অভিনীত : উল্লেখযোগ্য কয়েকটি যাত্রাপালার নাম তুলে ধরা হলো- অশ্রু দিয়ে লেখা, নবাব সিরাজউদ্দৌলাহ, এই দেশ এই মাটি, মা মাটি মানুষ, যৌতুক, একটি পয়সা, চাঁদ সুলতানা, কে দেবে কবর, কে ঠাকুর ডাকাত, দেবী সুলতানা, আনারকলি, হেডমাস্টার, মাইকেল, সুলতান ইলিয়াস শাহ প্রভৃতি।

এই কালপর্বে যাত্রার ক্রমবিকাশে উল্লেখযোগ্য দলগুলো হলো : ১ নং দীপালি অপেরা, বলাকা অপেরা, বুলবুল অপেরা, গীতাঞ্জলি অপেরা, জয়দুর্গা অপেরা, আদি দীপালি অপেরা, বাবুল অপেরা, ভারতী অপেরা, নিউ বাসন্তী অপেরা, টঙ্গী ঝুমুর যাত্রাদল, বিনোদন ঝুমুরযাত্রা, কোহিনুর অপেরা, রুপালি অপেরা, ভাগ্যলিপি অপেরা, চাঁদনী অপেরা, আদি বঙ্গশ্রী অপেরা, তাজমহল অপেরা, আনন্দ অপেরা, শাহীন অপেরা, তিনকন্যা অপেরা, তরুণ অপেরা, সূর্যমহল অপেরা, শোভা অপেরা, পারুল অপেরা, দি নবরঞ্জন অপেরা প্রভৃতি।

যাত্রাপালার ক্রমবিকাশে যে সমস্ত বরেণ্য ব্যক্তিত্বের ভূমিকা রয়েছে তাঁরা হলেন : ড. বৈদ্যনাথ শীল, শিশুরাম অধিকারী, পরমানন্দ অধিকারী, লোচন অধিকারী, গোবিন্দ অধিকারী, পীতাম্বর অধিকারী, কালাচাঁদ পাল, অন্নদাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনমোহন বসু, কৃষ্ণকমল গোস্বামী, মুকুন্দ দাস, ব্রজেন্দ্র কুমার দে, গৌরাঙ্গ আদিত্য, মানজুরুল ইসলাম লাভলু, আলাউদ্দিন দেওয়ান, আয়েশা আখতার, মমতাজ বেগম মায়া, সাকেলা বেগম, আবদুল মজিদ সরদার, নয়ন চৌধুরী, আবদুস সালাম, নাজমুল হোসেন ইকু, পারভীন জামান, নজরুল ইমলাম, শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, রঞ্জন দেবনাথ, মিলন কান্তি দে, সাধন কুমার মুখার্জি, ব্রজেন্দ্র কুমার দে, অমলেন্দু বিশ্বাস, জ্যোৎস্না বিশ্বাস, নিশিকান্ত চট্টোপাধ্যায়, নগেন্দ্রনাথ বসু, ড. আশ্রাফ সিদ্দিকী, ড. তপন বাগচি, এম এ মজিদ, মহসিন হোসাইন প্রমুখ।

সমাজবদ্ধ মানুষের একটি বড় মাধ্যম হলো ‘যাত্রা’। এই শিল্পে অনেক গল্পনির্ভর ‘যাত্রা’ রয়েছে। যাত্রাশিল্পে গল্প যেভাবেই পরিবেশিত হোক না কেন, সেটা শুধু বিনোদনের মাধ্যম তা নয়। এটা বিনোদনের চেয়ে অনেক বেশি। এক্ষেত্রে একটি প্রসঙ্গিক উদাহরণ :

“কেউ কেউ মনে করেন, গল্প নেহায়েতই বিনোদনের বাহন, দর্শক বা পাঠককে আনন্দ দেওয়াই গল্পের উদ্দেশ্য। কিন্তু একটি গল্প আসলে ‘শুধুমাত্র বিনোদন’-এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু। স্বভাবজাত কারণেই গল্প তার সাথে বয়ে নিয়ে বেড়ায় অজানা পৃথিবী ও অজ্ঞাত জনপদের নানা তথ্য, চিত্রকল্প, ধ্বনি ও সুর, বৈচিত্র্যের বিশাল দিগন্ত। আবার কখনও পাঠক শ্রোতা-দর্শককে সাথে করে নিয়ে যায় অচেনা প্রকৃতি পরিবেশে, অদেখা জনগোষ্ঠীর নারী পুরুষের দিন যাপনের কাছাকাছি কোনো গন্তব্যে এবং শেষপর্যন্ত তাদের জন্য রেখে যায় নানা প্রশ্ন, ফেলে যায় আনন্দ বেদনার বিচিত্র অনুভূতি আর দিয়ে যায় চিন্তা ও অনুভবের স্বাধীনতা। সেই কারণে গল্প ছাড়া অন্য যেকোনো মাধ্যমে পরিবেশিত তথ্য, শিক্ষা ও বিনোদন দর্শক পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে যেতে পারে না।”

[ফরিদুর রহমান : গল্প : একটি চিত্রনাট্যের অনিবার্য উপাদান, সম্পাদনা: ড. নূহ-উল- আলম লেনিন : চলচ্চিত্রের চালচিত্র, পৃ. ১৯৯।]

ষাটের দশকে আমাদের চলচ্চিত্রে যাত্রাপ্রভাবিত কিছু লোককাহিনি ভিত্তিক ছবি তৈরি হয়েছে। লোককাহিনি ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের ফলে দর্শককে হলমুখী করতে সংশ্লিষ্টজনেরা সুফল পেয়েছেন। সে সমস্ত ছবি উদাহরণ হিসেবেÑ আপন দুলাল, মহুয়া, জরিনা সুন্দরী, রহিম বাদশাহ ও রূপবান, গুনাইবিবি, বেহুলা, আবার বনবাসে রূপবান, ভাওয়াল সন্ন্যাসী, গুনাই প্রভৃতি।

লোকসংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য অঙ্গ ‘যাত্রা’ আজ অনেকটাই ম্লান। বাঙালির অভিনয়কলার এই উল্লেখযোগ্য মাধ্যমটিকে জাগিয়ে রাখা দরকার। এই শিল্পটি জনপ্রিয় ঐতিহ্যমূলক বিষয়বস্তু নিয়ে রচিত। আজ বাঙালি সংস্কৃতির এই উল্লেখযোগ্য মাধ্যমটি যেখানে হারাতে বসেছে এখানেই সংস্কৃতির এই মাধ্যমটিকে খুঁজে পেতে হবে :

‘অন্ধকারের মধ্যে কিছু হারালে যেখানে সেটা হারিয়েছে সেই অন্ধকারেই তাকে খোঁজা উচিত, যেখানে আলো আছে সেখানে খুঁজতে যাওয়া কাজের কথা নয়। বাঙালি সংস্কৃতিকেও তেমনি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট আর চেনা-জায়গায় খোঁজা আমাদের অভ্যাস হয়ে গেছে। অন্ধকারের মধ্যে খুঁজতে আমাদের খুব ভয়।’

[হাসান আজিজুল হক : লোকযাত্রা আধুনিকতা সাহিত্য, পৃ. ৮৮।]

বাঙালি সংস্কৃতির ‘যাত্রা’ মাধ্যমটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান রইল। এক্ষেত্রে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমোঘ বাণী চিত্তভূমিতে নাড়া দিচ্ছেÑ ‘সবারে করি আহ্বান-

এসো উৎসুকচিত্ত, এসো আনন্দিত প্রাণ’।।

জননন্দিত এই যাত্রা মাধ্যমটিকে সকলের সমন্বয়ে এগিয়ে নিতে পারলে, আবারও চুম্বকের মতো টানবে। অতিপ্রাচীন কৃষ্টি ফিরে পাবে নবপ্রাণ।

তথ্য ঋণ : 

১. তপন বাগচী : বাংলাদেশের যাত্রাগান জনমাধ্যম ও সামাজিক পরিপ্রেক্ষিত, প্রথম প্রকাশ, জুন ২০০৭, বাংলা একাডেমি, ঢাকা।

২. মাহবুবুল আলম : বাংলাদেশের সাহিত্য, পঞ্চম মুদ্রণ, জানুয়ারি ২০১৮ প্রকাশক, খান ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি, ঢাকা।

৩. রফিকুল ইসলাম : কাজী নজরুল ইসলাম জীবন ও সৃজন, প্রথম মুদ্রণ, ফেব্রুয়ারি ২০১২, প্রকাশক, নজরুল ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

৪. সম্পাদনা : ড. নূহ-উল-আলম লেনিন : চলচ্চিত্রের চালচিত্র, প্রথম প্রকাশ, একুশে বইমেলা ২০১৭, প্রকাশক,  সময় প্রকাশন, ঢাকা।

৫.  হাসান আজিজুল হক : লোকযাত্রা আধুনিকতা সাহিত্য, প্রথম প্রকাশ, এপ্রিল ১৪,২০০৫, প্রকাশক, অঙ্কুর প্রকাশনী, ঢাকা।

পীযূষ কুমার ভট্টাচার্য্য :  লেখক

Leave a Reply

Your email address will not be published.

shares