গল্প

নলদিয়া মেলা

আহমেদ মাওলা

 

বাজারের নাম দুধমুখা।

এই নামে কি কোনো বাজারের নাম হতে পারে?

লোকে বলে- হতে পারে, হয়। একসময় চর বাটা, চর মজলিশপুর, চর পারবতী থেকে প্রচুর মহিষের দুধ আসতো এবাজারে। গরু-মহিষের দুধের আড়ৎ ছিল এখানে। শহর থেকে আসতো পাইকার। কলসের মুখে কলাপাতা, ভাটপাতা দেয়া বড় বড় পাতিল ভর্তি দুধ যেতো শহরে। খাঁটি দুধের ছানা-মাখন দিয়ে তৈরি হতো সুস্বাদু মিষ্টি। পানতোয়া, চমচম, সন্দেশ, রসগোল্লা, রসমালাই আরো কত কি? কলসের মুখের দুধ দেখেই ব্যারীরা বলে দিতে পারতো, এ-দুধ খাঁটি- না ভেজাল।

আস্তে ধীরে লোকের মুখে মুখে রয়ে যায় ‘দুধমুখা’ নামটা। বাজারটার নাম হয়ে গেল দুধমুখা বাজার। নলদিয়া মেলায় যেতে পথে পড়ে দুধমুখা বাজার। গ্রামের লোকজন হেঁটে মেলায় যাওয়ার পথে দুধমুখা বাজারে বসে জিরোয়। খাঁটি দুধের  চা খায়। তারপর  ধানকাটা শূন্য মাঠের ধুরপড়া পথে কোণাকোণি হাঁটা দেয়। পায়ে চলা পথে  হেঁটে হেঁটে মেলার দিকে যায়। আবদুল মতিন পোলের সঙ্গে লাগোয়া হোটেলটায় গিয়ে বসে। বাহিরের চুলায় তখন আমেত্তি ভাজছে কারিগর। ক্যাশে  বসে আছে পেটমোটা ম্যানেজার। কম বয়সে পান খাওয়া ধরেছে সম্ভবত। দাঁতগুলো তরমুজের বিচি হয়ে আছে। চেহারাও বেটপ। আবদুল মতিন গরম গরম আমিত্তির ওয়ার্ডার দেয়। তারপর কৌতুহলী চোখে চারিদিকে একবার তাকায়। অনেক বদলে গেছে বাজারটা। খালের পাড়ের ভাঙ্গাচোরা দোকানগুলো এখন পাকা হয়ে গেছে। পোলের পাশে বিরাট অশ্বত্থ গাছটা এখন নেই। গাছ তলায় ছিল সমর শীলের সেলুন। গ্রামের লোকজন চুল-দাড়ি কাটতে আসতো বারোমাস। চুলকাটার ফাঁকে গ্রামের কত খবর জানা যেতো! খুব মোলায়েম গলায় সমরশীল বলতো-

‘শুনছেন মিয়াভাই,অনিল কাকা গতরাতে পরিবার নিয়া ইন্ডিয়া চলে গেছে।’

কথাটা বলে চুলকাটা হঠাৎ থামিয়ে দিয়ে মতিনের মুখের দিকে তাকিয়ে কি যেন বুঝতে চাইতো। সে কবেকার কথা। এখন অশ্বত্থ গাছও নেই, সমর শীলের সেলুনও নেই। স্মৃতি থেকে আবদুল মতিন বাস্তবে ফিরে আসে। দোকানে অনেকে চা খাচ্ছে। মেলার যাত্রী  সবাই। ছেলে বুড়ো নানা বয়সী মানুষ। দাদার হাত ধরে হয়ত এসেছে নাতি, কিংবা বাবার সঙ্গে কিশোরী মেয়ে যাচ্ছে মেলায়। নলদিয়া মেলাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এখানকার এক লোকসংস্কৃতি। যুগ যুগ ধরে চলছে এর প্রবহমান ধারা।

মাঘ মাসের পয়লা তারিখে বসে নলদিয়া মেলা। মেলা চলে পাঁচ দিন। শাহ সুফি আব্দুর রহমান (রা:)-এর মাজারকে ঘিরে  বসে এ মেলা। মেলার নাম ‘নলদিয়া’ হলো কেন? বৃদ্ধ মজিদ মিয়া বলে-

‘সেকালে জমি মাপা হতো বাঁশের তৈরী নল দিয়ে। এখনকার মতো গজ-ফিতা তো ছিল না। বাঁশের আগার দিক ভালো করে ছিলে-চেঁচে মসৃণ করে সাত হাত লম্বা একটা নল তৈরী করা হতো। প্রতি হাতে দাগকাটা থাকতো। সে নল দিয়ে মাপা হতো জমি। সাত নলে আর এক নলে এক কড়া, জমির হিসাব। মেলা যখন শুরু হয়,তখন হয়ত সেই বাঁশের নল দিয়ে মেপে জায়গাটা চিহ্ণিত করা হয়েছিল। সেই থেকে মেলার নাম হয়ে গেছে নলদিয়া মেলা।’

কখন থেকে মেলা শুরু হয়েছে কেউ বলতে পারে না। গ্রামের প্রবীণ লোকদের জিগেশ করলে, তারা বলে- ‘হ, আমরাও ছোটবেলায় মেলা দেখেছি, মেলায় গিয়েছি কিন্তু কবে থেকে শুরু হয়েছে, তা তো জানিনা!

আমাদের বাপদাদারাও এ মেলা দেখে এসেছে।’

প্রবীণ-বৃদ্ধরা বাঁকা লাঠিতে ভরদিয়ে, তাদের ঘোলাটে চোখ উল্টিয়ে গল্প ফেঁদে বসেন। তখন তাদের তোবড়ানো মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠে। বয়স্ক চেহারায় অজস্র বলিরেখা ফুটে উঠলেও তারা ফোকলা মুখে হাসি দিয়ে কিশোরবেলার রঙিন স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান। নলদিয়া মেলা ছিল তাদের কাছে রস-রহস্যের এক অনন্ত ভূবন। সারা বছর অপেক্ষায় থাকতেন তারা,কখন আসবে মাঘ মাস? হাতের আঙ্গুলের কড়ে গুনতো সময়-ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক…

অগ্রাহয়ন মাসে ধানকাটা শুরু হলে গ্রামের কিশোর-কিশোরীরা  মাঠে মাঠে ঝরা ধান কুড়াতে নেমে যেত। ইঁদুরের গর্তে লুকানো ধানের ছড়া,ছোট্ট হাত দিয়ে বের করে এনে খুশিতে আটখানা হওয়া আনন্দ স্মৃতি, কিছুতেই ভোলা যায়না। কুড়ানো ধান বিক্রি করে ওরা নলদিয়া মেলায় যাবে। মেলায় সার্কাস দেখবে, সার্কাসে আজগবি সব খেলা দেখয়। পুতুল নাচ দেখায়, হাতি, ঘোড়া, বাঘ, ভল্লুক দেখবে। কিনবে শখের পুতুল কিংবা খেলনা। ছেলেরা কিনবে মাঠে খেলার বল। ছোটরা কিনবে বাঁশি বা রঙিন বেলুন। কবিগান, যাত্রাপালা দেখবে। সে উত্তেজনায় অনেকে রাতে ঘুমাতে পর্যন্ত পারতো না।

মাইকের বিচিত্র আওয়াজ, মানুষের হৈ চৈ । রাতে হ্যাজাক লাইটের সূচীবিদ্ধ আলো। এক মাইল দূর থেকেও শুনা যেতো মেলার কোলাহল। মেলায় ভিড় ছিল প্রচন্ড।  ভিড়ের মাঝে পড়ে প্রায় ছেলে মেয়েরা হারিয়ে যেতো। তাই অনেকে শীতের লম্বা চাদর দিয়ে ছোট ছেলেমেয়েদের কোমরে পেঁচিয়ে নিতো। যাতে ছোট ছেলেমেয়েরা হারিয়ে না যায়। হোটেলের ছেলেটা মতিনকে গরম আমিত্তি দিয়ে যায়। আমিত্তি খেতে খেতে মতিন কতো কথা ভাবে। মনে পড়ে যায় কত কত স্মৃতি। প্রতিক্ষায় বিভোর হয়ে কাটতো সময়। মেলার পুরো সময়টা কাটতো রং-তামাসায়। এখনও মেলা বসে, তবে মেলার চারিত্র্য বদলে গেছে। সেই আনন্দ এখন আর নেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসে ‘সার্কাস’। আমন ধান কাটা হয়ে গেলে জমিগুরো খালি পড়ে থাকে। সেই ধানি জমিতে সার্কাসের বিরাট প্যান্ডেল পড়ে। হাতি, ঘোড়া, বাঘ, ভাল্লুক, তো আসেই, তার উপর আশ্চর্য সব খেলা। বিক্রমপুর  থেকে আসে পুতুল নাচের পার্টি। উত্তর বঙ্গ থেকে আসে যাত্রা দল। ময়মনসিংহ থেকে আসে গায়েনের দল। নরসিংদী থেকে আসে ট্রাক ভর্তি খাট-পালং আসবাবপত্রের বহর। মিষ্টি মন্ডা, আমিত্তি, মুড়িমোয়া, খই দোয়াজা, আঙ্গুলির বিশাল বিশাল পসরা সাজিয়ে বসে দোকানিরা। গ্রামীণ সংসারের হরেক রকম জিনিস- দা, খুন্তি, পিড়ি, বেলইন, ডালগুডুনি, লাঙ্গল, জোয়াল, কোদাল, মাথাল, মই, লাঙ্গলের ইস, কুটি, বাঁশ বেতের তৈরি জিনিষপত্র, মাটির তৈরি হাঁড়ি পাতিল, কলস, পুতুল, শিশুখেলনা সবই পাওয়া যায় নলদিয়া মেলায়। রাতদিন মাইকে গান বাজে, ঘোষণা হচ্ছে, লালনীল বেলুন উড়ছে, মানুষের হৈচৈ, হ্যাজাক বাত্তির আলো বাঁশি বাজনার মিলিত কলস্বরে চারপাশের গ্রামে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। মেলা উপলক্ষে বৌ-ঝিরা নাইওর আসে বাপের বাড়ি। অতিথিরা আসে কুটুম্ব বাড়ি। পিঠা-চিড়ে তৈরির ধুম পড়ে যায় গ্রামগুলোতে। জামাইরা মেলা থেকে বড় বড় রুই, কোরাল বা বোয়াল মাছের কানকায় রশি ঝুলিয়ে  শশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। শীতে দীর্ঘ রাত কেটে যায় সার্কাসে খেলা দেখে। যাত্রাপালায় ‘রহিম বাদশা রূপবান’ ‘সোহরাব রুস্তম’ কিংবা ‘দস্যু কেনারামের পালা’ দেখতে দেখতে রাত কেটে যায়। মাজারের পাশে বসে কবিগানের আসর কিংবা মারফতি মুরশিদি গানের বাহস। মেলার কয়দিন এ অঞ্চলের মানুষদের  চোখে ঘুম থাকে না। ফসল ঘরে তোলার পর সংসারের আর কোনো কাজ থাকেনা বলে আমোদ ফুর্তিতে মজে থাকে মানুষ।

মতিন পরিবর্তনশীল গ্রামের দৃশ্য দেখতে দেখতে মেলায় যায়। ভীড় ঠেলে টিকেট কিনে ঢোকে সার্কাসের প্যান্ডেলে। ছোটবেলায় যেসব খেলা দেখে আশ্চার্য হতো,গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠতো, এখন সেব খেলা তার কাছে খুবই সাধারণ মনে হয়। তবু সে শৈশবের মন নিয়ে দেখতে থাকে সার্কাস। খেলা দেখাতো নয়, শৈশব স্মৃতিতে একবার ডুব দেয়া। শৈশবের খেলার মাঠে ফেলে আসা ঘুড়ির দিকে তকিয়ে আচ্ছন্ন হয়ে থাকা। মতিন দেখে,সার্কাসের সবচেয়ে মজার মানুষ হচ্ছে জোকার। গায়ে তার বিচিত্র কাপড়ের তালি দেয়া লম্বাজোব্বা। মাথায় রাজাদের মতো ঝকমকে পাগড়ি। তার সব কথায় আছে রস। প্রত্যেক কথায় দর্শক হেসে গড়াগড়ি খায়। সহিস ঘোড়া নিয়ে আসে। জোকার দৌড়ে এসে জিগেশ করে-

: ও মিয়া, তোমার ঘোড়া বেইচবা?

: হ, বেচুম

: দাম কত?

: এক হাজার স্বর্ণমূদ্রা

: একটু কম নাও। পাঁচশ স্বর্ণমূদ্রা।

: না, হবে না। নয়শত নিরানব্বই স্বর্ণমূদ্রায়ও হবে না।

: ঘোড়ার সব ঠিক আছে তো?

: অবশ্যই ঠিক আছে।

জোকার ঘুরেফিরে ঘোড়াটাকে দেখে। পেছন দিকে গিয়ে লেজটা উল্টায়।

তারপর  ‘উঁহুরে’ বলে শব্দ করে।

‘তোমার ঘোড়ার পেছনে ফাডা’।

সঙ্গে সঙ্গে দর্শক সারিতে হাসির রোল পড়ে যায়। ঘোড়াটা মাদী ঘোড়া। ঘোড়ার পিঠে চড়ে জোকার একটা চক্কর দেয়। তারপর সে নিজেই আশ্চর্য খেলাটা খেলে। খেলার নাম ‘ত্রিফলা বর্শা’। হাতে দশ-বারো ফুট একটা কাঠের লাঠি। তার একজন সাগরেদ ত্রিফলা বর্শাটি নিয়ে আসে। দেখলেই বোঝা যায় ভীষণ ধারালো তিনটি বর্শা। সেই লোকটি লম্বা লাঠির মাথায় ধারালো বর্শার ফ্রেমটি বসালো। অতি সাবধানে ওপরে তুলল। দর্শকরা দম বন্ধ করে বসে আছে। কোথাও কোনো শব্দ নেই। ঝিমধরা পরিবেশ। বুঝি এখনই ঘটে যাবে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা। ঘটে যাবে মারাত্মক কোন সর্বনাশ। লোকটি তখন চকচকে বর্শা তিনটি লাঠির মাথায় এমনভাবে তুলল যে, তাকালেই ভয় লাগে। তারপর হঠাৎ করে হাতের লাঠিটা সরিয়ে ফেলল সে। বর্শা তিনটি সাঁ করে পড়ল নিচে। চোখের পলকে সেই লোকটা মাটিতে চিৎ হয়ে শুইয়ে পড়ল। বর্শা তার গায়ে আঁচড়ও কাটলোনা। বর্শা তিনটি পড়েছে তার উরুর দুদিকে আর মাঝখানে। দর্শক সারিতে তুমুল হাততালি। চিৎকার করে কে যেন বলল, সাবাশ বাঘের বাচ্চা! জোকার লোকটি তারপর বিনীত ভঙ্গিতে মাথা নুইয়ে দর্শকদের কুর্নিশ জানায়।

সার্কাসের প্যান্ডেল থেকে বেরিয়ে মতিন যায় পুতুল নাচ দেখতে। সেখানেও প্রচন্ড ভীড়। কোনো শৃঙ্খলা নেই।  ঠেলাঠেলি করে যে আগে টিকেট নিতে পারে, সে ঢুকতে পারবে আগে। মতিনও কুস্তি লড়ে টিকেট নেয়।

পুতুল নাচের প্যান্ডেলে পুতুল নেই। চলছে সত্যিকার মানুষের যাত্রাপালা। রাধা-কৃষ্ণের পালা চলছে। বৃন্দাবনের কাজ শেষ করে কৃষ্ণ যায় মথুরা নগরীতে কংস বধে। বিরহী রাধা বৃন্দাবনে কুঞ্জ সাজিয়ে কাঁদে-‘ঘর করিনু বাহির আমি বহির করিনু ঘর/পর করিনু আপন আমি আপন করিনু পর/তবু শ্যামের দেখা নাহি পাই/মাহ ভাদর আমি কি করে কাটাই/চোখের অনলে ভাসে সখি মথুরা নগর।’

রাধা সেজেছে যে মেয়েটা, খুবই সুন্দরী। যাত্রাপালায় সাধারণত এত সুন্দরী মেয়ে দেখা যায় না। এককথায় অপরূপ বলতে হয়। গানের গলাটাও ভারী মিষ্টি। হলদে রঙের একটা শাড়ি পরেছে, গলায় পরেছে পাথরের সস্তা মালা। রঙিন আলোয় ঝলমল করছে। এমনভাবে সাজ করেছে যে, তাকে সত্যিকারের রাধাই মনে হচ্ছে।

কান্নাভেজা কণ্ঠে সে গাইছে- ‘সখি কুঞ্জ সাজাও গো/ আজ আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে/মনে চায়, প্রাণে চায়, দিলে চায় যারে/আজ আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে।’ আবদুল মতিন অভিভূত হয়ে যায়। মন ছুঁয়ে যায় মতিনের।

রাতদ্বিপ্রহরে শুরু হয় ‘রহিম বাদশা ও রূপবান পালা’। রূপবানের রূপ দেখে দর্শক সারিতে সাড়া পড়ে যায়। রূপ তো নয় যেন নাঙ্গা তলোয়ার। যেমন তার রূপ, তেমনি মিষ্টি তার কন্ঠস্বর। ষোল বছরের নারীর সঙ্গে বারো দিনের শিশুর বিবাহ। রহিম বাদশাকে কোলে নিয়ে রূপবান বনবাসে যাচ্ছে। দাইমাকে উদ্দেশ্য করে করুন সুরে কাঁদতে কাঁদতে গান গাচ্ছে-‘বারো দিনের শিশুর সাথে গো/দাইমা বলি যে তোমারে গো/দাইমা, দাইমা গো……

আবদুল মতিন শৈশবের স্মৃতিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। নষ্টালজিক চেতনায় ফিরে যায় ছোটবেলার দিনগুলোতে।

মেলা ভেঙ্গে যাওয়ার পরও আনন্দের  রেশ কাটে না। ফান্ডুন চৈত্র মাসে মাঠে ধান বুনতে গিয়ে কৃষক গেয়ে ওঠে মেলার পালায় শোনা কোনো গান। দাদি নানীরা বাচ্চাদের শোনায় ‘সাতভাই চম্পা’ বা ‘দস্যু কেনারামের পালার’ কেচ্ছা। দুরন্ত  শিশু ঘুমের দেশে তলিয়ে যাওয়ার আগে শোনে অশ্বখুরের টাকুম্ টুকু্‌ম্ টাকুম্ টুকু্‌ম্ ধ্বনি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares