moshiul-alom

অনূদিত উপন্যাস

ধা রা বা হি ক : দ্বি তী য়  প র্ব

তেরো কিস্তি

ভূতলবাসীর কড়চা

ফিওদর মিখাইলোভিচ দস্তইয়েফ্স্কি

মূল রুশ থেকে অনুবাদ

মশিউল আলম

 

কী করার ছিল? ওখানে যাওয়া সম্ভব ছিল না, যাওয়ার কোনো অর্থই হতো না; আর সবকিছু ওভাবেই ছেড়ে দেওয়ারও উপায় ছিল না, কারণ তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াত…ওহ্ ঈশ্বর! কীভাবে এটা ছেড়ে দেওয়া যায়! এত বড় অপমানের পর!’

‘না!’ চিৎকার করে বললাম আমি, তারপর আবার স্লেজগাড়িটাতে উঠে বসলাম। এটা আগে থেকেই নির্ধারণ করা আছে, এটা নিয়তি! ‘চালা! চল্ ওই দিকে!’

অধৈর্য হয়ে আমি কোচোয়ানের ঘাড়ে একটা ঘুষি মারলাম।

‘আরে এটা কী? মার কেন?’ চিৎকার করে বলল চাষাটা, একই সঙ্গে অবশ্য ঘোড়াটার পিঠে এমন জোরে চাবুক বসাল যে সেটা পেছনের পাদুটো আছড়াল।

পেঁজা তুলার মতো ভারী হয়ে ভেজা তুষার ঝরছিল; আমি খোলামেলা হলাম, তুষারের দিকে ভ্রুক্ষেপ করার মতো অবস্থায় ছিলাম না আমি। সবকিছু ভুলে গিয়েছিলাম, কারণ চড়ের ব্যাপারটা নিয়ে আমি শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম, ভীষণভাবে অনুভব করছিলাম যে ব্যাপারটা অব্যর্থভাবে তখনই ঘটবে, কোনো শক্তিই ওটা রোধ করতে পারবে না। কুয়াশার মধ্যে বিষণœভাবে জ্বলছিল নির্জন স্ট্রিটলাইটগুলো, যেমন করে জ্বলে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়।

আমার ওভারকোট, জ্যাকেট ও টাইয়ের ভেতরে তুষার ঢুকে গলে যাচ্ছিল; আমি নিজেকে ঢাকলাম না, সবকিছুই তো শেষ হয়ে গেছে।

অবশেষে আমরা পৌঁছে গেলাম। আমি লাফ দিয়ে নেমে প্রায় বেহুঁশের মতো সিঁড়ি বেয়ে দৌড়ে উঠে গিয়ে দরজায় হাত দিয়ে ধাক্কাতে লাগলাম, পা দিয়ে লাথি মারতে শুরু করলাম। দুই পায়ে বল পাচ্ছিলাম না, বিশেষ করে হাঁটুদুটি যেন ভেঙে আসছিল। দরজাটা কেন জানি তাড়াতাড়িই খুলে গেল; ওরা নিশ্চয়ই জানত আমি আসছি। (অবশ্যই, সিমোনভ ওখানকার লোকদের আগেই জানিয়ে রেখেছিল যে আরও একজন আসবে, তাই ওদেরও সেভাবেই সতর্ক থাকার কথা, সাধারণ সাবধানতা অবলম্বন করার কথা। জায়গাটা ছিল সেকালের ‘মদ্নি মাগাজিন’গুলোর (ফ্যাশন শপ) একটা, যেটাকে পুলিশ অনেক আগেই তুলে দিয়েছে। দিনের বেলা ওটা সত্যি সত্যিই দোকান হিসেবে ব্যবহৃত হতো, আর সন্ধ্যার পরে খাতিরের লোকজনদের মেহমানদারি করত।) আমি দ্রুত পা চালিয়ে অন্ধকার দোকানটা পার হয়ে গিয়ে ঢুকলাম পরিচিত সেই বৈঠকখানায়, যেখানে মাত্র একটা মোমবাতি জ্বলছিল; বিভ্রান্ত হয়ে থেমে দাঁড়ালাম: কেউ নেই।

‘ওরা কোথায়?’ কাকে যেন জিজ্ঞাসা করলাম।

কিন্তু ওরা এই সময়ের মধ্যে যে যার পথে চলে গেছে…

আমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল একজন মানুষ, তার মুখে নির্বোধের হাসি, সে দোকানটার স্বয়ং মালকিন, যে আমাকে কিছুটা চিনত। একটু পর সে বেরিয়ে গেল, অন্য এক মেয়ে এসে ঢুকল।

আমি কোনো দিকে ভ্রুক্ষেপ না করে ওই ঘরটার এ-মাথা ও-মাথা পায়চারি করতে লাগলাম, সম্ভবত তখন আমি নিজের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ব্যাপারটা এমন ছিল যেন আমি মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি; সমস্ত সত্তা দিয়ে আনন্দের সঙ্গে সেটা অনুভব করছিলাম: কেননা আমি ওকে চড় মারতাম, নিশ্চিত মারতাম, সুনিশ্চিতভাবে আমি ওকে চড় মারতাম! কিন্তু তখন ওরা সেখানে ছিল না, সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছিল, সবকিছু বদলে গিয়েছিল!…আমি এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলাম। তখনও কিছু বুঝতে পারছিলাম না। যন্ত্রের মতো তাকালাম সেই মেয়েটির দিকে, যে একটু আগেই এসে ঢুকেছে: আমার সামনে জ্বলজ্বল করছে তরতাজা, নবীন, একটুখানি মলিন একটা মুখ, যার কালো ভুরুদুটি সোজা, চোখদুটি যার গম্ভীর ও একটুখানি বিস্ময়মাখা। সঙ্গে সঙ্গে আমার ভালো লেগে গেল; সে যদি হাসত তাহলে ওকে আমার ভালো লাগত না। আমি ওকে আরও মন দিয়ে, আরও তীব্রভাবে দেখতে লাগলাম: আমার এলোমেলো চিন্তাগুলো তখনও পুরোপুরি সুস্থিত হয়নি। ওই চেহারাটায় সরল-হৃদয় আর দয়ালু কিছু একটা ছিল, কিন্তু চেহারাটা ছিল অদ্ভুত রকমের গম্ভীর। আমি নিশ্চিত, ওটার কারণেই মেয়েটি ওখানে হেরেছিল, ওই গর্ধবগুলোর কেউই ওকে লক্ষ করেনি। অবশ্য যদিও মেয়েটি ছিল বেশ লম্বা, শক্তসমর্থ সুগঠিত শরীরের অধিকারী, তবু এটা বলা যাবে না যে খুব সুন্দরী ছিল। অতি সাধারণ ছিল তার বেশভূষা। আমার ভেতরে জঘন্য একটা কিছু চাগিয়ে উঠল; সোজা ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম…

হঠাৎ করে একটা আয়নার ওপর চোখ পড়ল আমার। নিজের উত্তেজিত চেহারাটা দেখে ভীষণ জঘন্য লাগল আমার: উস্কোখুস্কো চুলে নিরক্ত, বদ, জঘন্য একটা মুখ। ‘তাই হোক, এতেই আমি খুশি,’ মনে মনে বললাম, ‘আমি আরও খুশি এই জন্যে যে মেয়েটির চোখে আমাকে জঘন্য দেখাচ্ছে; এতে আমার আনন্দ হচ্ছে…’

ছয়

মাঝখানের দেয়ালের ওপাশে কোথাও, কেমন এক প্রচ- চাপের নিচে, এমনভাবে ঘড়ির ঘড় ঘড় শব্দ হতে লাগল যেন কেউ কাউকে টুঁটি চেপে মারছে। অস্বাভাবিক রকমের লম্বা সময় ধরে ঘড় ঘড় শব্দ হওয়ার পর চিকন, জঘন্য অপ্রত্যাশিত দ্রুত শব্দে শব্দে বেজে উঠল ঘড়িটা-ঠিক যেন কেউ সামনের দিকে একটা লাফ মারল। রাত দুটো বাজল। আমার হুঁশ ফিরে এল, যদিও ঘুমাচ্ছিলাম না, আধা-বিস্মৃতির মধ্যে শুয়ে ছিলাম মাত্র।

সরু, ছোট, নিচু ছাদের ঘরটাতে বিশাল এক আলমারি, ছড়িয়ে-ছিঁটিয়ে ছিল কাগজের বাক্স, ন্যাকড়া, রাজ্যের কাপড়-চোপড়ের জঞ্জাল, ঘরটা ছিল প্রায় পুরোপুরি অন্ধকার। ঘরের শেষ মাথায় একটা টুলের ওপর একটা মোমবাতির গোড়া জ্বলছিল, ওটা প্রায় ফুরিয়ে এসেছিল, কিছুক্ষণ পরপর শিখা দেখা যাচ্ছিল কী যাচ্ছিল না। আর কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পূর্ণ অন্ধকার নেমে আসবে।

আমার হুঁশ ফিরে আসতে বেশি সময় লাগল; সঙ্গে সঙ্গে আমার সবকিছু ফিরে এল, আমাকে কোনো চেষ্টাই করতে হলো না, সঙ্গে সঙ্গেই মনে পড়ল, ব্যাপারটা যেন আমাকে আবার আঘাত করার জন্য ওৎ পেতে আছে। আসলে, বিস্মৃতির মধ্যেও যেন রয়ে গিয়েছিল কেমন একটা বিন্দু, যা কোনোভাবেই বিস্মৃতিতে মিশে যেতে রাজি নয়, যার আশেপাশেই ভারী হয়ে ছিল আমার স্বপ্নালু নিমগ্নতা। ব্যাপারটা ছিল অদ্ভুত: সেদিন আমার ক্ষেত্রে যা-কিছু ঘটেছিল, তখন, হুঁশে ফেরার পর, আমার মনে হচ্ছিল, সেসব ঘটেছিল অনেক অনেক আগে, যেন সে সমস্ত কিছু আমি বহু আগেই পার হয়ে এসেছি।

মাথার ভেতরটায় ধোঁয়া জমে উঠেছিল। যেন কিছু একটা আমার ওপর ভর করেছিল, যা আমার ওপরে আছড়ে পড়ছিল, আমাকে উত্তেজিত করছিল, যন্ত্রণা দিচ্ছিল। বিষাদ ও ক্রোধ আবারও টগবগ করে ফুটছিল আমার ভেতরে, বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছিল। হঠাৎ দেখতে পেলাম আমার পাশে খোলা দুটি চোখ, কৌতূহলী ও দুর্দমনীয় দৃষ্টিতে চেয়ে আছে আমার দিকে। দৃষ্টিটা ছিল শীতল, নির্লিপ্ত, বিরূপ, একেবারেই যেন ভিন্ন জগতের। চোখদুটির দিকে তাকিয়ে থাকতেই কষ্ট হচ্ছিল আমার।

আমার মগজে এক বিরূপ ভাবনার উদয় হলো, একটা অশুভ অনুভূতির মতো সেটা বয়ে গেল সারা শরীরের ভেতর দিয়ে, মেঝের তলের কুঠুরিতে ঢুকলে যেমন লাগে, ঠিক সেই রকম একটা অনুভূতি, ভেজা, বাসি গন্ধময়। ব্যাপারটা খানিক অস্বাভাবিক লাগছিল এই কারণে যে ওই চোখদুটি কেবল তখনই আমার দিকে তাকাতে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আমার আরও মনে পড়ল, দুই ঘণ্টা ধরে ওই প্রাণীটির সঙ্গে আমি একটা কথাও বলিনি, এবং বলাটা একদমই দরকার মনে হয়নি। কী কারণে যেন সেটাই আমার ভালো লাগছিল। তখন হঠাৎ আমার মনে জ্বলে উঠল বদমায়েশির উদ্ভট, জঘন্য, বৃশ্চিকের মতো ভাবনা; যে প্রেমহীন, রূঢ়, নির্লজ্জ বদমায়েশি শুরু হয় সোজা সেই জিনিস থেকে, যা প্রকৃত প্রেমের সমাপ্তি টানে। আমরা অনেকক্ষণ ধরে ওইভাবে পরস্পরের দিকে চেয়ে ছিলাম, কিন্তু আমার আগে সে চোখ নামায়নি, চাহনিটা বদলায়ওনি, ফলে অবশেষে আমার কেন জানি শঙ্কা হলো।

‘নাম কী তোমার?’ কাঠখোট্টার মতো বললাম, যাতে তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়।

‘লিজা,’ উত্তরে বলল সে প্রায় ফিসফিস করে, কিন্তু কেমন জানি খুবই জঘন্যভাবে, বলে অন্য দিকে তাকাল।

আমি একটু চুপ করে রইলাম।

‘আজকের আবহওয়াটা…তুষার…জঘন্য!’ প্রায় আপনমনে বলতে লাগলাম আমি, ক্লান্তভাবে মাথার পেছনে একটা হাত রেখে ছাদের দিকে চেয়ে। মেয়েটি কোনো উত্তর দিল না। পুরো ব্যাপারটাই ছিল জঘন্য।

‘বাড়ি এখানেই?’ একটু পরে, প্রায় ধৈর্য হারিয়ে মাথাটা একটু ওর দিকে ঘুরিয়ে জিগ্যেস করলাম।

‘না।’

‘কোথায় বাড়ি?’

‘রিগা,’ অনিচ্ছুকভাবে বলল সে।

‘জার্মান?’

‘রুশ।’

‘অনেকদিন হলো এখানে?’

‘কোথায়?’

‘এই বাড়িতে।’

‘দুই সপ্তাহ।’ মেয়েটির কথাগুলো ক্রমেই বেশি করে সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছিল। মোমবাতিটা পুড়ে শেষ হয়ে পুরোপুরি নিভে গেল; আমি আর মেয়েটির মুখম-ল ঠাহর করতে পারছিলাম না।

‘বাবা-মা আছে?’

‘হ্যাঁ…না…আছে।’

‘তারা কোথায়?’

‘সেখানে…রিগায়।’

‘কী করেন উনারা?’

‘এমনি।’

‘এমনি আবার কী? কী কাজ করেন?’

‘ছোটখাটো ব্যবসা।’

‘তুমি তাদের সঙ্গেই থাকতে?’

‘হ্যাঁ।’

‘কত বয়স তোমার?’

‘বিশ।’

‘বাবা-মার কাছ থেকে চলে এসেছ কেন?’

‘এমনি।’

এই ‘এমনি’র মানে সরো এখান থেকে, জঘন্য লাগছে।

আমরা চুপচাপ হয়ে গেলাম।

ঈশ্বরই জানেন, কেন আমি ওখান থেকে চলে যাচ্ছিলাম না। আমার নিজেরই ভীষণ বিবমিষা লাগছিল, ভীষণ বিষণœ লাগছিল। আগের সারাটা দিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর ছবি আপনা-আপনি, আমার ইচ্ছা ছাড়াই এলোমেলোভাবে আসতে শুরু করল আমার স্মৃতিতে। হঠাৎ একটা দৃশ্যের কথা মনে পড়ে গেল, যেটা সকালবেলা রাস্তায় দেখেছিলাম, যখন হন্তদন্ত হয়ে কাজে ছুটছিলাম।

‘আজ একটা কফিন বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, যেতে যেতে একটুর জন্য কফিনটা পড়ে যায়নি,’ হঠাৎ আমি সশব্দে বলে উঠলাম, কিন্তু কথা শুরু করতে একদমই চাইনি, এমনি, হঠাৎ করেই বললাম।

‘কফিন?’

‘হ্যাঁ, হে মার্কেটে; একটা বেসমেন্ট থেকে নিয়ে যাচ্ছিল।’

‘বেসমেন্ট থেকে?’

‘বেসমেন্ট থেকে নয়, বেসমেন্টের তলা থেকে… আর জানো, নিচে…জঘন্য একটা বাড়ি থেকে, চারদিকে এমন নোংরা আবর্জনা, ডিমের খোসা, রাজ্যের আবর্জনা, দুর্গন্ধ..বীভৎস ব্যাপার।’

নীরবতা।

‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য আজ একটা বাজে দিন!’ শুধু নীরবতা ভাঙার জন্যই আমি আবার শুরু বললাম।’

‘বাজে দিন কেন?’

‘তুষার, ভেজা আবহাওয়া…।’ (আমি হাই তুললাম।)

‘তাতে কিছু এসে যায় না,’ একটু চুপ করে থেকে হঠাৎ বলল মেয়েটি।

‘না, জঘন্য…’ (আমি আবার হাই তুললাম)। গোরখোদকরা নিশ্চয়ই খিস্তি করছিল, কারণ তুষার গলে গিয়ে সবকিছু ভিজে যাচ্ছিল। আর কবরে নিশ্চয়ই পানি ছিল।’

‘কবরে পানি আসবে কোত্থেকে?’ কেমন এক কৌতূহলের সঙ্গে জিগ্যেস করল মেয়েটা, কিন্তু তার কথা বলা আগের চেয়ে বেশি রূঢ় ও সংক্ষিপ্ত হয়ে আসছিল। হঠাৎ কেন জানি আমার মধ্যে অস্থিরতা শুরু হলো। কবরের তলায় পানি, অন্তত আধা ফুট। এখানে, ভোলকাভায় শুকনো কবর একটাও মিলবে না।’

‘কেন?’

‘কেন আবার কী? জায়গাটাই তো পানির। এখানে চারদিকে জলাভূমি। ওরা পানির মধ্যেই কফিন রেখে দেয়। আমি নিজের চোখে দেখেছি…অনেক বার…।’

(একবারও দেখিনি, জীবনে কোনোদিন ভোলকাভা গোরস্থানেই যাইনি, লোকজনের মুখে শুনেছি মাত্র।)

‘মরলে তোমার কী এসে যায়, তাই না?’

‘কেন মরতে যাব আমি?’ উত্তরে বলল সে, এমনভাবে বলল যেন নিজেকে রক্ষা করছে।

‘কখনও না কখনও তো মরবেই, নির্ঘাৎ মরবে, আজকে যে মারা গেল তার মতোই। যে মারা গেল, সেও একটা মেয়েই ছিল..ক্ষয়রোগে মরেছে।’

‘ছুঁড়ি হলে তো মরত হাসপাতালে গিয়ে…(আমার মনে হলো, মেয়েটা এ সম্পর্কে জানে, আর সে মেয়ে না বলে বলল ছুঁড়ি।)

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares